পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ ধৃত চালকের স্ত্রী
f.jpg

পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ ধৃত চালকের স্ত্রী

লরিচালকের কাছ থেকে দাবি মতো তোলা পায়নি পুলিশ৷ ওই লরিচালক ভয়ে ঘটনাস্থল থেকে লরি নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে৷ এতেই এক থানার পুলিশ অন্য থানা এলাকায় গিয়ে ওই লরিচালককে বেধড়ক মারধর করে৷ লরিচালককে বাঁচাতে স্থানীয় মানুষ এগিয়ে গেলে তাদের উপরেও পুলিশ লাঠিচার্জ করে বলে অভিযোগ৷ সুযোগ বুঝে লরিচালক পালিয়ে মালদা মেডিকেল কলেজে ভরতি হন৷ চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ৷ একাধিক মিথ্যে মামলায় তাঁকে এখন মেডিকেলের পুলিশ সেলে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে৷ কেড়ে নেওয়া হয়েছে চিকিৎসার যাবতীয় কাগজপত্র৷ এই ঘটনায় আজ ওই লরিচালকের স্ত্রী পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন৷ অভিযোগ উঠেছে বৈষ্ণবনগর থানার পুলিশের বিরুদ্ধে৷



ধৃত লরিচালকের নাম জাকির হোসেন৷ বাড়ি মোথাবাড়ি থানার পুরাতন পটলডাঙা গ্রামে৷ তাঁর স্ত্রী সাকিলা বিবি বলেন, গত ২৫ জুলাই স্বামী ফরাক্কার দিক থেকে বালি ভরতি লরি নিয়ে মালদার দিকে যাচ্ছিল৷ ১৮ মাইল টোল প্লাজা পেরোতেই বৈষ্ণবনগর থানার পুলিশ তার লরি আটকায়৷ লরিতে ওভারলোড রয়েছে অভিযোগ করে স্বামীর কাছে ৩০ হাজার টাকা তোলা দাবি করে৷ সেই টাকা আমার স্বামীর কাছে ছিল না৷ সে লরি নিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যায়৷ এরপর পুলিশ কালিয়াচকের বালিয়াডাঙা এলাকায় ফের স্বামীর লরি আটকায়৷ লরি থেকে তাকে নামিয়ে এনে বেধড়ক মারধর করে৷ এলাকার লোকজন স্বামীকে বাঁচাতে গেলে পুলিশ তাদের উপরেও লাঠিচার্জ করে৷ সুযোগ বুঝে স্বামী সেখান থেকে পালিয়ে যায়৷ চিকিৎসার জন্য সে মালদা মেডিকেল কলেজে ভরতি হয়৷ খবর পেয়ে পুলিশ মেডিকেল কলেজে এসে তাকে গ্রেফতার করে৷ তার বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মিথ্যে মামলা রুজু করা হয়েছে৷ তাই আজ আমি পুলিশ সুপারের কাছে বৈষ্ণবনগর থানার পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছি৷ আমি চাই, পুলিশ সুপার যথাযথ তদন্ত করে আমার স্বামীর মুক্তির ব্যবস্থা করুন৷


[ আরও খবরঃ লকডাউনের তৃতীয় দিনে আঁটোসাঁটো নজরদারি মালদা জুড়ে ]



পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়া জানিয়েছেন, এমন অভিযোগের কথা তাঁর জানা নেই৷ কাজের সূত্রে আজ তিনি শহরের বাইরে রয়েছেন৷ তিনি অফিসে গিয়ে অভিযোগপত্র খতিয়ে দেখে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন৷

হেডলাইন

প্রতিবেদন

ডিজিট্যাল যুগে বাধ সাধে নি লন্ঠন, যমজ বোনের সাফল্য উচ্চমাধ্যমিকে

বিদ‍্যুৎ পরিষেবা পেলেও আর্থিক সঙ্কট থাকায় বকেয়া বিল পরিশোধ করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। বাধ্য হয়েই তিন বছর ধরে লন্ঠনের আলোতেই পড়াশুনা চালিয়েছেন...

বিজ্ঞাপন

ফলো করুন
  • Facebook
  • Instagram
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest

সব খবর ইনবক্সে!

প্রতিদিন খবরের আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন

Aamader Malda Worldwide, the only media of your hometown and its thoughts. Here you can share and express your views and thoughts and you'll get here the essence of MALDAIYA CULT...

You can reach us via email or phone.  P +91 3512-260260  E response@aamadermalda.in

  • Facebook
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest
  • Instagram
  • RSS

Copyright © 2020 Aamader Malda. All Rights Reserved.