top of page

মারধর করে টাকা ছিনতাই করে পালাল দুষ্কৃতী, অভিযোগ থানায়

রাতে বাড়ি ফিরছিলেন এক পেট্রোল পাম্পের মালিক ও তাঁর ছেলে। অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে অস্ত্র দেখিয়ে তাঁদের পথ আটকায় দুষ্কৃতীরা। তাঁদের কাছে থাকা টাকা ছিনতাই করার অভিযোগ সেসময়। ঘটনাটি ঘটে মালদার ইংরেজবাজার থানার বুধিয়া স্ট্যান্ড এলাকায়। এই ঘটনায় দুষ্কৃতীদের বাধা দিতে গিয়ে আক্রান্ত হন ছেলে। ছেলে পেশায় চিকিৎসক। বুধবার দুপুরে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে আহত চিকিৎসক অভিযোগ দায়ের করে ইংরেজবাজার থানায়।



আহত চিকিৎসকের নাম ডাক্তার মাসিরুদ্দিন আহমেদ। বর্তমানে তিনি বালুরঘাট হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার পদে যুক্ত। কর্মসূত্রে বালুরঘাটে থাকলেও নিজস্ব বাড়ি ইংরেজবাজার থানার নরহাট্টা গ্রামপঞ্চায়েতের বুধিয়া এলাকায়। জানা গেছে, পুখুরিয়া থানার পীরগঞ্জ কুচিয়াহি এলাকায় ওই চিকিৎসকের একটি পেট্রোলপাম্প আছে। সেই পেট্রোলপাম্প দেখাশোনা করেন তাঁর বাবা মোহাম্মদ আকিমুদ্দিন। বেশ কিছুদিন আগে ওই চিকিৎসক ছুটিতে বাড়িতে আসেন। বাড়ি এসে তিনি পেট্রোলপাম্প দেখাশোনা করতেন।


মঙ্গলবার রাতে পেট্রোল পাম্প থেকে বেরিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন মোহাম্মদ আকিমুদ্দিন। সেসময় বুধিয়া স্ট্যান্ডে বেশ কিছু দুষ্কৃতী তাঁর পথ আটকায় ও মারধর করে। খবর জানতে পেরে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে ছেলে। বাবাকে দুষ্কৃতীদের হাত থেকে বাঁচাতে গেলে দুষ্কৃতীরা তাঁর উপরেও চড়াও হয়। লোহার রড দিয়ে ডান কানে আঘাত করে এবং তাদের কাছ থেকে পেট্রোল পাম্পের এক লক্ষ ৬০ হাজার টাকা নিয়ে ছিনতাইকারীরা পালিয়ে যায়। আহত অবস্থায় মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয় মাসিরুদ্দিনকে। বুধবার দুপুরে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর সম্পূর্ণ ঘটনার বিবরণ জানিয়ে ইংরেজবাজার থানার পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে আক্রান্ত চিকিৎসক ও তাঁর বাবা।



দুষ্কৃতীদের মধ্যে দু’জন ব্যক্তিকে ইতিমধ্যেই চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদের নাম মহিবুল শেখ ও আনসার শেখ। প্রাথমিক সূত্রে জানা গেছে, তারা ওই এলাকারই বাসিন্দা এবং দীর্ঘদিন ধরে সমাজবিরোধী কাজের সঙ্গে যুক্ত। অভিযুক্ত দুই দুষ্কৃতীর নামে ইতিমধ্যেই লিখিত অভিযোগ করেছে আক্রান্ত চিকিৎসক। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ইংরেজবাজার থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।


আমাদের মালদা এখন টেলিগ্রামেও। জেলার প্রতিদিনের নিউজ পড়ুন আমাদের অফিসিয়াল চ্যানেলে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন

বিজ্ঞাপন

Malda-Guinea-House.jpg

আরও পড়ুন

bottom of page