top of page

স্বাস্থ্যসাথী থাকলেও মেলে নি চিকিৎসা, স্বেচ্ছামৃত্যু চান তৃণমূল নেতা

স্বাস্থ্যসাথী কার্ড থাকা সত্ত্বেও চিকিৎসা পাচ্ছেন না এক তৃণমূল নেতা। বাবা-মায়ের অবর্তমানে ৮০ শতাংশ বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন নেতা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। সরকারি প্রকল্পের সুবিধে না পেয়ে অসহায় তৃণমূল নেতা স্বেচ্ছামৃত্যুর কথা বলছেন।


রতুয়া-২ নম্বর ব্লকের আড়াইডাঙা গ্রামপঞ্চায়েতের পিরপুর গ্রামের বাসিন্দা ইমরান আলি (২৯)। সম্প্রতি তাঁর বাবা হেলু শেখ ও মা মলিনা বিবি করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন। জানা গিয়েছে, ছোটোবেলায় ফুটবল খেলতে গিয়ে হঠাৎ পায়ে ব্যথা শুরু হয়। সেই সময় চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন, তাঁর উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন। কিন্তু আর্থিক অভাবে চিকিৎসা করাতে পারেননি অভিভাবকরা। এখন তিনি ৮০ শতাংশ বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন। সরকারি শংসাপত্রও থাকা সত্ত্বেও সরকারি সহায়তা পাচ্ছেন না তিনি। তিনি শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের বুথ স্তরের নেতা হওয়ার পরেও দুয়ারে রেশন পাচ্ছেন না।



ইমরান জানান, স্বাস্থ্যসাথী কার্ড আছে। কিন্তু হাসপাতাল কিংবা নার্সিংহোম থেকে ফিরিয়ে দিচ্ছে। রেশন কার্ড থাকলেও রেশন মিলছে না। মুখ্যমন্ত্রী দুয়ারে রেশন প্রকল্প ঘোষণা করেছেন। শারীরিক সমস্যা থাকলেও বাড়িতে কেউ রেশন দিয়ে যায়নি। বিডিওকে বারবার ফোন করা হলেও শুধু আশ্বাস ছাড়া আর কিছু মেলেনি। বিধায়ক ও সাংসদ কেউ কিছু করেননি। দু’বছরের মধ্যে করোনায় বাবা-মার মৃত্যু হয়েছে। একার ওষুধ কিংবা খাবারের টাকাও জোগাড় হচ্ছে না। প্রশাসন যদি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে না দেয়, তবে স্বেচ্ছামৃত্যু ছাড়া কিছুই করার নেই।




আমাদের মালদা এখন টেলিগ্রামেও। জেলার প্রতিদিনের নিউজ পড়ুন আমাদের অফিসিয়াল চ্যানেলে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন

বিজ্ঞাপন

Malda-Guinea-House.jpg

আরও পড়ুন

bottom of page