top of page

অভাবের তাড়নায় রাষ্ট্রপতির কাছে স্বেচ্ছামৃত্যুর আবেদন

লকডাউন ও করোনা আবহে কাজ না পেয়ে আর্থিক অনটনে ছিলেন। অসহায় হয়ে মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ও রাষ্ট্রপতির কাছে পরিবার সমেত স্বেচ্ছামৃত্যুর আবেদন জানিয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে ইংরেজবাজারে।


মুক-বধির চুমকি সিংহ। স্বামীও ছিলেন মুক ও বধির। একমাত্র ছেলেকে নিয়ে এই দম্পতি শ্বশুরবাড়িতে স্থান না পেয়ে বাপের বাড়িতেই আশ্রয় নিয়েছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকার পর গত জুলাই মাসে তাঁর স্বামী প্রয়াত হন। চুমকিদেবীর বাবা সবাই সিংহ বিদ্যুৎ পর্ষদের প্রাক্তন কর্মী। মা মনিকা সিংহ গৃহবধূ। সবাইবাবু পেনশন পান না। অবসরের পর যা টাকা পেয়েছিলেন তা তিন মেয়ের বিয়ে দিতে ও বাড়ি করতে খরচ করে দেন। কিছু সঞ্চিত টাকা চিটফান্ডে রেখেছিলেন তাও চিটফান্ড কাণ্ডের জেরে হাতছাড়া হয়। স্বামীর মৃত্যুর পর চুমকিদেবী সেলাই কাজ করে সংসারের হাল ধরেন।



টানা লকডাউন ও করোনা পরিস্থিতির জেরে আর কাজ জুটছে না তাঁর। সামাজিক লজ্জার ভয়ে অভাবের কথা কাউকে বলতে পারছেন না। বাধ্য হয়ে মনিকাদেবী মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ও রাষ্ট্রপতির কাছে সপরিবারে স্বেচ্ছামৃত্যুর আবেদন জানিয়েছেন। তাঁর দাবি, পরিবারের যা পরিস্থিতি তাতে অভাবের তাড়নায় তাঁদের তিলে তিলে মরতে হবে। তাই তাঁরা স্বেচ্ছামৃত্যুর আবেদন জানিয়েছেন।




আমাদের মালদা এখন টেলিগ্রামেও। জেলার প্রতিদিনের নিউজ পড়ুন আমাদের অফিসিয়াল চ্যানেলে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন

বিজ্ঞাপন

Malda-Guinea-House.jpg

আরও পড়ুন

bottom of page