top of page

কাশীর বিশ্বনাথ মন্দির সংস্কারের কাজে গিয়ে দুর্ঘটনায় মৃত মালদার দুই

কাশীর বিশ্বনাথ মন্দিরের সংস্কার কাজে গিয়ে বাড়ি ভেঙে মৃত্যু হল মালদার দুই শ্রমিকের৷ আহত হয়েছেন আরও ছয় শ্রমিক৷ তাঁদের বেনারসের একটি হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে৷ নিহত ও আহতদের মধ্যে এক শ্রমিকের বাড়ি ইংরেজবাজারের নরেন্দ্রপুর গ্রামে৷ বাকিরা সবাই কালিয়াচকের শেরশাহী গ্রামের বাসিন্দা৷


নিহত এবং আহতদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে আগামীকাল মালদায় আসছেন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম৷ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির হাতে সরকারি সাহায্যও তুলে দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর৷



জানা গিয়েছে, শেরশাহী এলাকার প্রায় ২৫০ জন শ্রমিক ১৫ দিন আগে উত্তরপ্রদেশের কাশীতে বিশ্বনাথ মন্দির সংস্কারের কাজে যোগ দিয়েছিলেন৷ গতকাল রাত দুটো পর্যন্ত মন্দির সংস্কারের কাজ হয়েছে৷ কাজ সেরে কিছু শ্রমিক মন্দির সংলগ্ন একটি বহু পুরোনো বাড়িতে ঘুমোতে যান৷ ঔরাঙ্গজেবের আমলে তৈরি ওই বাড়িতেই তাঁরা আস্তানা বানিয়েছিলেন৷ ভোর সাড়ে তিনটে নাগাদ বাড়িটি ভেঙে পড়ে৷ চাপা পড়ে যান আট শ্রমিক৷ তাঁদের মধ্যে দুই শ্রমিক এবাদুল মোমিন (৩০) ও আমিনুল মোমিন (৪০) ঘটনাস্থলেই মারা যান৷ আহত হয়েছেন এমরাজ মোমিন, দুই আরিফ মোমিন, সায়েদ আখতার, হাতিম খান এবং আবদুল জব্বার৷ এর মধ্যে জাব্বারের বাড়ি ইংরেজবাজারে৷




দুর্ঘটনার খবর জেলায় পৌঁছোতেই প্রশাসনের তৎপরতা শুরু হয়৷ নিহত ও আহতদের বাড়ি গিয়ে সমস্ত নথি সংগ্রহ করেন কালিয়াচক ১ ব্লকের বিডিও সেলিম হাবিব সরদার৷ তিনি জানিয়েছেন, সমস্ত রিপোর্ট ইতিমধ্যেই তিনি জেলাশাসককে পাঠিয়ে দিয়েছেন৷ দুপুর থেকে শেরশাহী গ্রামেই ছিলেন কালিয়াচক ১ ব্লক তৃণমূল সভাপতি সামিজুদ্দিন আহমেদ৷ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে সব ধরনের সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি৷ সন্ধেয় নিহতদের বাড়ি যান রাজ্যসভার সাংসদ ও জেলা তৃণমূল সভানেত্রী মৌসম নুর৷ তিনি জানান, মর্মান্তিক এই ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা নেই৷ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলি যাতে সরকারি সব সহায়তা পায় তার ব্যবস্থা হচ্ছে৷ মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে আগামীকাল পরিবারগুলির সঙ্গে কথা বলতে আসছেন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম৷ মৃতদেহ দুটি বেনারস থেকে মালদায় ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হচ্ছে৷



আমাদের মালদা এখন টেলিগ্রামেও। জেলার প্রতিদিনের নিউজ পড়ুন আমাদের অফিসিয়াল চ্যানেলে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন

বিজ্ঞাপন

Malda-Guinea-House.jpg

আরও পড়ুন

bottom of page