top of page

গোষ্ঠীকলহে ভাঙচুর দলীয় কার্যালয়, কটাক্ষ বিজেপির

পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে ফের প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীকলহ। দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত হয়েছেন প্রায় ১১ জন। ভাঙচুর চালানো হয় তৃণমূলেরই পার্টি অফিসে। দলের গোষ্ঠীকলহের জেরে এই ঘটনা ঘটেছে তা মেনে নিয়েছেন তৃণমূলের নেতৃত্বরা। আপাতত এই ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। কাটমানির ভাগাভাগি নিয়ে দুই গোষ্ঠীর গণ্ডগোল বলে কটাক্ষ করেছে বিজেপি।


জানা গিয়েছে, গতকাল রাতে ইংরেজবাজারের লক্ষ্মীপুর পার্টি অফিসে তৃণমূলের লোকজন পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রস্তুতির কাজকর্ম করছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় স্থানীয় তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য মইনুল শেখ ও তাঁর দলবল লক্ষ্মীপুরের ওই পার্টি অফিসে হামলা চালায়। পার্টি অফিসে ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি তৃণমূলের কর্মীদের মারধরও করা হয়। প্রতিরোধ গড়েন অপর পক্ষের লোকজনও। গোটা ঘটনায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১১ জন। ঘটনার প্রতিবাদে রাতেই মালদা-মানিকচক রাজ্য সড়ক অবরোধ করে আক্রান্তরা। শেষ পর্যন্ত পুলিশের হস্তক্ষেপে অবরোধ ওঠে৷ খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে ছুটে যায় ইংরেজবাজার থানার পুলিশ। এই ঘটনায় মইনুল সহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যদিও তাঁর সমর্থকদের দাবি, তিনি নিজে থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেছেন৷ ধৃতদের আজ জেলা আদালতে পেশ করা হয়েছে। তবে এনিয়ে পুলিশের তরফে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।


তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরি জানান,

দলেরই দুটি গোষ্ঠীর গণ্ডগোল হয়েছে৷ তৃণমূলের অনেক কর্মী হাসপাতালে ভরতি রয়েছেন। যারা এধরনের কাজ করে দলকে বদনাম করছে, তাদের বিরুদ্ধে দল কঠোর ব্যবস্থা নেবে৷


ঘটনাপ্রসঙ্গে বিজেপির জেলা মুখপাত্র অম্লান ভাদুড়ী বলেন, এই ঘটনার পেছনে রয়েছে তৃণমূলের কাটমানি টাকার ভাগাভাগির লড়াই৷ ১০০ দিনের কাজ থেকে শুরু করে আবাস যোজনা পর্যন্ত বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা নয়ছয় হয়েছে৷ সেই টাকার ভাগ নিয়েই এই গোলমাল৷ এত কিছুর পরেও পুলিশ এখনও তৃণমূলের নির্দেশের অপেক্ষা করছে৷ সমাজে সন্ত্রাস চালানোর প্রতিবাদ, মানুষ পঞ্চায়েত ভোটের মাধ্যমে জানাবে।




আমাদের মালদা এখন টেলিগ্রামেও। জেলার প্রতিদিনের নিউজ পড়ুন আমাদের অফিসিয়াল চ্যানেলে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন

বিজ্ঞাপন

Malda-Guinea-House.jpg

আরও পড়ুন

bottom of page