top of page

মেলেনি মাঠ, রাস্তা অবরোধ করেই সভা সিপিআইএমের

হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েও সভা করার জন্য মাঠ ব্যবহারের অনুমতি মেলেনি। অবশেষে শনিবার মালদা শহরের প্রাণকেন্দ্র রথবাড়ি মোড়ে ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের ওপরেই জনসভা করল সিপিআইএম। বামফ্রন্টের কর্মী সমর্থকদের ভিড়ে ঘণ্টা খানেকের জন্য অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে জাতীয় সড়ক। তবে এদিন এই সভায় পুলিশি হস্তক্ষেপ নজরে আসেনি।


শনিবার দুপুর দুটো নাগাদ রথবাড়ি পৌঁছন সভার প্রধান তিন বক্তা মহম্মদ সেলিম, শতরূপ ঘোষ ও মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। ততক্ষণে দলীয় কর্মী সমর্থকদের ভিড়ে জাতীয় সড়ক দিয়ে যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে। সভা মঞ্চ থেকে কেন্দ্রীয় ও রাজ্যের শাসকদলের কড়া সমালোচনা করেন শতরূপ ও মীনাক্ষী। শতরূপ বলেন, অনেক চেষ্টা করেও ওরা আমাদের সমাবেশ আটকাতে পারেনি৷ আগামীতে বিধানসভা যাওয়ার লড়াইও আটকাতে পারবে না৷ এই সরকারের আমলে বেকারদের চাকরি হচ্ছে না, যুবসমাজ ঘামের দাম পাচ্ছে না৷ এবার মানুষ ওদের ছুঁড়ে ফেলে বামফ্রন্টের বিধায়কদের বিধানসভাতে নিয়ে যাবে।


অবরুদ্ধ রথবাড়ি মোড়।
অবরুদ্ধ রথবাড়ি মোড়।

মীনাক্ষী বলেন, আমাদের সভা করার জন্য বৃন্দাবনী মাঠ দেওয়া হল না। এই দালালি বন্ধ করলে আগামী বিধানসভা নির্বাচনের পর প্রশাসনকে এই রথবাড়ি মোড়েই ফুটো বাটি নিয়ে বসতে বাধ্য করবে লাল ঝাণ্ডা। রাজ্যে ১০০ দিনের কাজ বন্ধ করার জন্য তৃণমূলের সঙ্গে সমান দায়ী এই দালাল প্রশাসন৷ মাঠের অনুমতি না দিলে কী হবে, প্রতিটি পাড়ায় আমরা চাটাই পেতে পাড়া বৈঠক করব। ওরা কী করে বন্ধ করে দেখব।


এদিকে বিজেপি তৃণমূলের পাশাপাশি কংগ্রেসেরও তীব্র সমালোচনা করেন মহম্মদ সেলিম। তিনি বলেন, গত লোকসভা নির্বাচনে বামপন্থীদের কারণে কংগ্রেস এখানে একটি আসন পেয়েছে। আর এখন প্রদেশ কংগ্রেস আর দিল্লির কিছু কিছু নেতা চিন্তা করছেন, কোনদিকে গেলে লাভ৷ ওরা নিজেরা সিদ্ধান্ত নিতে পারে না৷ জেলা ভাবছে, রাজ্য কী করবে, রাজ্য ভাবছে, দিল্লি কী করবে৷ বাংলার সমস্ত মানুষ যদি একত্রিত হয় তবে নবান্নকে আমরাই শায়েস্তা করে দেব।


আমাদের মালদা এখন টেলিগ্রামেও। জেলার প্রতিদিনের নিউজ পড়ুন আমাদের অফিসিয়াল চ্যানেলে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন

Comments


বিজ্ঞাপন

Malda-Guinea-House.jpg

আরও পড়ুন

bottom of page