top of page

ওড়িশায় ট্রেন দুর্ঘটনায় মৃত মালদার শ্রমিক, এখনও নিখোঁজ বেশ কয়েকজন

ওড়িশায় জোড়া ট্রেন দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা ২৬০ ছাড়িয়েছে। শুধু করমণ্ডল এক্সপ্রেসই নয়, গতকালের ট্রেন দুর্ঘটনায় তছনছ যশবন্তপুর-হাওড়া এক্সপ্রেসও৷ দুটি ট্রেনে মালদার বেশ কয়েকজন ছিল বলেও খবর পাওয়া যাচ্ছে। এখনও পর্যন্ত যা খবর মিলেছে তাতে চাঁচল ২ ব্লকের এক পরিযায়ী শ্রমিক মাশকেরুল রহানের (২৬) মৃত্যুর খবর মিলেছে। ওই পরিবারকে সমবেদনা জানাতে ছুটে গিয়েছে তৃণমূল ও বিজেপির জন প্রতিনিধিরা।



মাশকেরুল রহান চাঁচল ২ নম্বর ব্লকের ধানগাড়া বিষণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বালিয়াঘাট পূর্বপাড়া গ্রামে বসবাস করতেন। বাসিন্দা মাশকেরুল রহান৷ পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করতে করমণ্ডল এক্সপ্রেসে চেন্নাই যাচ্ছিলেন তিনি৷ এখনও নিখোঁজ ওই অঞ্চলেরই আরও তিন শ্রমিক জামিরুল ইসলাম, মিনতাউল হক ও নুরুল ইসলাম৷


মাশরেকুলের মা হেনারা বিবি জানান, এলাকায় যা কাজ পেত, ছেলে সেই কাজই করত৷ আগে কখনও ভিনরাজ্যে কাজে যায়নি৷ কিছুদিন আগে বেশি রোজগারের আশায় চেন্নাই যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ছেলে৷ বৃহস্পতিবার রাতে চেন্নাই যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল৷ গতকাল রাত ন’টা নাগাদ খবর আসে, যে ট্রেনে ওরা চেন্নাই যাচ্ছিল, সেই ট্রেনটা নাকি উলটে গিয়েছে৷ তারপর থেকে ছেলের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। অবশেষে ভোর পাঁচটায় মোবাইলে ছেলের মৃতদেহে ছবি আসে।


মাশরেকুলের স্ত্রী রুকসানা খাতুন জানান,

রাতে হঠাৎ শুনি, ট্রেন দুর্ঘটনার পর স্বামীর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না৷ শেষ পর্যন্ত আজ ভোরে জানতে পারি, স্বামীর মৃত্যু হয়েছে৷ এখন বাচ্চা দুটোকে কীভাবে মানুষ করব, বুঝে উঠতে পারছি না।

দুর্ঘটনায় যশবন্তপুর-হাওড়া এক্সপ্রেসের অনেক যাত্রীও আহত হয়েছেন৷ এই মুহূর্তে ওডিশার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ইউসুফ আখতার। তিনি জানান, অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে কাজ শেষ করে বাড়ি ফিরছিলাম৷ আমরা চারজন ট্রেনে একসঙ্গে ছিলাম। হঠাৎ বিকট শব্দ৷ তারপর আর কিছু মনে নেই৷ কিছুক্ষণ পরে জ্ঞান ফিরে আসে৷ আমাদের তিনজনকে হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। তবে ভাই ইউনুস শেখকে এখনও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না৷


আমাদের মালদা এখন টেলিগ্রামেও। জেলার প্রতিদিনের নিউজ পড়ুন আমাদের অফিসিয়াল চ্যানেলে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন

বিজ্ঞাপন

Malda-Guinea-House.jpg

আরও পড়ুন

bottom of page