মিলছে না সরকারি প্রকল্পের সুবিধে, গ্রাম জুড়ে ক্ষোভ
- আমাদের মালদা ডিজিট্যাল

- Feb 14
- 1 min read
কংগ্রেস প্রার্থীকে ভোট দেওয়ায় গ্রামের প্রায় সমস্ত মানুষ রাজ্য সরকারের বার্ধক্য ভাতা থেকে শুরু করে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার সমস্ত প্রকল্প থেকেই বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ। ভোটের আগে সরকারি প্রকল্পের সুবিধে না পেলে ভোট বয়কটের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ওই গ্রামের মানুষজন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে চাঁচল ২ নম্বর ব্লকের চন্দ্রপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের পুরাতন খানপুর গ্রামে।
ওই গ্রামে প্রায় তিন শতাধিক পরিবারের বসবাস। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে এই বুথে জয়ী হয়েছিলেন কংগ্রেস প্রার্থী। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, আশপাশের গ্রামের মানুষ সরকারি প্রকল্পের সুবিধে পেলেও তাঁরা কেউ সরকারি প্রকল্পের সুবিধে পাচ্ছেন না। গ্রামের যে সমস্ত ব্যক্তি তৃণমূল কর্মী কিংবা সমর্থক শুধুমাত্র তাঁদেরই সরকারি প্রকল্পের সুবিধে দেওয়া হচ্ছে। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থী জয়ী হওয়ায় গ্রামের মানুষের সঙ্গে এই বৈষম্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন গ্রামবাসীরা।
স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল হাকিম জানান, প্রায় ৭০ বছর বয়স হয়ে গেল। গ্রাম পঞ্চায়েত, ব্লক, দুয়ারে সরকার ক্যাম্পেও বার্ধক্য ভাতার জন্য আবেদন করেছি। কিন্তু এখনও পর্যন্ত ভাতা পাইনি। বছরের পর বছর শুধু আবেদন জানিয়ে চলেছি।
আরেক বৃদ্ধ মহম্মদ সিরাজুদ্দিন জানান, ৫-৬ বার আবেদন করেছি৷ এখনও বার্ধক্য ভাতা পাইনি৷ গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে আমাদের এলাকায় কংগ্রেস জয়ী হয়েছিল, সেই কারণেই আমাদের ভাতা দেওয়া হচ্ছে না।

গ্রামের মহিলা কোহিনূর খাতুন জানান, বারবার আবেদন করেও লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাচ্ছি না। তৃণমূলের লোকজন বলছে, আমরা কংগ্রেসকে জিতিয়েছি। তাই কংগ্রেসের কাছেই আমাদের সরকারি প্রকল্পের সুবিধে চাইতে হবে।
ওই বুথের কংগ্রেসি পঞ্চায়েত সদস্য রাজীব আলি জানান, সরকারি প্রকল্পের সুবিধে পাইয়ে দিতে গ্রামবাসীদের দাবি নিয়ে একাধিকবার ব্লক অফিসে গিয়েছি৷ কিন্তু সেখানে আমাকে হেনস্তার মুখে পড়তে হয়েছে৷ আসন্ন নির্বাচনের আগে গ্রামবাসীরা যদি সরকারি প্রকল্পগুলির সুবিধে না পায়, তবে আমরা বিডিও অফিস ঘেরাও করব৷ তাতেও কাজ না হলে ভোট বয়কটের আন্দোলনে নামব৷
আমাদের মালদা এখন টেলিগ্রামেও। জেলার প্রতিদিনের নিউজ পড়ুন আমাদের অফিসিয়াল চ্যানেলে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন










Comments