top of page

সিএএ-র মাধ্যমে নাগরিকত্ব পেলেন বামনগোলার বাসিন্দা

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে এসআইআর ইশ্যুকেই হাতিয়ার করে ময়দানে নেমেছে রাজনৈতিক দলগুলি। একদিকে যেমন এসআইআরের পদ্ধতি নিয়ে বামফ্রন্ট, কংগ্রেস, তৃণমূল সরব হয়েছে, তেমন তৃণমূলের বিরুদ্ধে মানুষকে ভুল বোঝানোর অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। সিএএ নিয়েও বিজেপির বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছে শাসকদল। এই পরিস্থিতিতে সিএএ-র মাধ্যমে ভারতীয় নাগরিকত্ব পেয়েছেন বামনগোলা ব্লকের চাঁদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ভুলকিমারি গ্রামের বাসিন্দা সত্যরঞ্জন বাড়ুই। ইতিমধ্যে সেই শংসাপত্র হাতে পেয়েছেন তিনি।


সত্যরঞ্জন জানান, গোপালগঞ্জ সাবডিভিশনের নারকেলবাড়ি গ্রামে আমাদেব বাড়ি ছিল। সেখানে আমাদের উপর অত্যাচার চলছিল৷ বাধ্য হয়ে ১৯৮৮ সালে আমরা ভারতে চলে আসি৷ এতদিন আমাদের ভারতীয় নাগরিকত্ব ছিল না৷ প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কথায় গত ৫ অগাস্ট আমি সিএএ ফর্ম ফিল আপ করে ভারতীয় নাগরিকত্বের আবেদন করি৷ ২৫ সেপ্টেম্বর আমার শুনানি হয়৷ গত ৮ জানুয়ারি আমার হাতে ভারতীয় নাগরিকত্বের শংসাপত্র এসে পৌঁছেছে৷ আমাদের গ্রামে অনেকেই ফর্ম ফিল আপ করতে শুরু করেছেন৷



হবিবপুরের বিজেপি বিধায়ক জয়েল মুর্মু জানান, তৃণমূল মানুষদের ভয় দেখাচ্ছে, সিএএ আবেদন করলে তাঁদের বাংলাদেশে ফেরত যেতে হবে৷ সেই ভয় থেকে মানুষ বেরিয়ে এসে নাগরিকত্বের আবেদন করেছেন। অনেকেই নাগরিকত্ব পেয়েছেন। পাকুয়াহাটে বিজেপির তরফে সিএএ সহায়তা শিবিরও করা হয়েছে৷


জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ ঘোষ জানান, তৃণমূল কোনোদিনই এসআইআর-এর বিরুদ্ধে ছিল না৷ আমরা এই প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে ছিলাম৷ কিন্তু দু’বছরের কাজ দু’মাসে করা যায় না৷ সুপ্রিম কোর্টের রায়ে কমিশনের পাশাপাশি বিজেপির গালেও থাপ্পর পড়েছে। বিজেপি নেতারা এসআইআর নিয়ে মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছেন৷ আতঙ্কে অনেক মানুষ মারা গিয়েছে৷ লক্ষ লক্ষ মানুষ সিএএ আবেদন করেছে৷ তারা এখনও শংসাপত্র পায়নি৷ আগে তারা সব মানুষকে শংসাপত্র দিক৷


আমাদের মালদা এখন টেলিগ্রামেও। জেলার প্রতিদিনের নিউজ পড়ুন আমাদের অফিসিয়াল চ্যানেলে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন

Comments


বিজ্ঞাপন

Malda-Guinea-House.jpg

আরও পড়ুন

bottom of page