top of page

বিজেপিতে যোগ দেওয়া সভাপতির বিরুদ্ধে অনাস্থা আনল তৃণমূল

আগে থেকে নির্ধারিত দিনে চলে এসেছিল জামাইষষ্ঠী৷ তাই তার একদিন পর, আজ মালদা জেলা পরিষদের সভাধিপতি গৌরচন্দ্র মণ্ডলের বিরুদ্ধে সহকারী ডিভিশনাল কমিশনারের হাতে অনাস্থা প্রস্তাবের আবেদন তুলে দিলেন জেলা পরিষদের তৃণমূল সদস্যরা৷ যদিও গৌরবাবু আজও বলেন, সময় আসলে সব দেখা যাবে৷


গত পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর মালদা জেলা পরিষদের ক্ষমতা দখল করে তৃণমূল৷ সভাধিপতি হন তৎকালীন তৃণমূলের মালদা জেলা পরিদর্শক শুভেন্দু অধিকারী ঘনিষ্ঠ গৌরচন্দ্র মণ্ডল৷ বিধানসভা নির্বাচনের আগে গেরুয়া শিবিরে যোগ দেন শুভেন্দুবাবু৷ তাঁর পথ ধরে বিজেপিতে যোগ দেন গৌরবাবুও৷ বিজেপির তরফে দাবি করা হয়, জেলা পরিষদে বোর্ড গঠনের ম্যাজিক ফিগার তাদের হাতে রয়েছে৷ ভোটপর্ব মিটে গেলেও তারা জেলা পরিষদে বোর্ড তৈরি করবে৷ যদিও তখন থেকেই জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব দাবি করে আসছিল, মালদা জেলা পরিষদে তারা সংখ্যাগরিষ্ঠ৷ শুধু মুখে বলাই নয়, দলের জেলা সভানেত্রী নিজের দপ্তরে জেলা পরিষদের ২৩ জন সদস্যকে হাজির করিয়ে সংবাদমাধ্যমে তা প্রমাণও করেন৷ কিন্তু নির্বাচনবিধি ও কোভিড বিধিতে এতদিন তৃণমূল সভাধিপতির বিরুদ্ধে অনাস্থা আনতে পারছিল না৷ শেষ পর্যন্ত আজ সেই অনাস্থা প্রস্তাব জমা পড়েছে৷



জেলা তৃণমূল সভানেত্রী মৌসম নুর বলেন, ভোটের আগে আমাদের দলের সভাধিপতি কয়েকজন সদস্যকে নিয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন৷ কিন্তু আমরা প্রথম থেকেই বলে আসছি, জেলা পরিষদে আমরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ৷ ২৩ জন সদস্য আমাদের সঙ্গে রয়েছেন৷ নির্বাচন ও করোনা বিধিনিষেধের জেরে এতদিন আমরা অনাস্থা আনতে পারিনি৷ এখন বিধিনিষেধ কিছুটা শিথিল হয়েছে৷ তাই আজ জেলা পরিষদের ২৩ জন সদস্যই সভাধিপতির বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব মালদার ডিভিশনাল কমিশনারের হাতে তুলে দিচ্ছেন৷ নতুন সভাধিপতি কে হবেন তা এখনও ঠিক করা হয়নি৷ তবে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে ও রাজ্য নেতৃত্বের সিদ্ধান্তেই নতুন সভাধিপতি নির্বাচিত হবেন৷


এদিকে গৌরবাবু আজ বলেন, আজ তো সবেমাত্র অনাস্থা পেশ করা হয়েছে৷ সরকারি নিয়ম হিসাবে আস্থা দেখানোর দিন ধার্য করা হবে৷ তখন সব দেখা যাবে৷ সময়ই শেষ কথা বলবে৷


আমাদের মালদা এখন টেলিগ্রামেও। জেলার প্রতিদিনের নিউজ পড়ুন আমাদের অফিসিয়াল চ্যানেলে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন

বিজ্ঞাপন

Malda-Guinea-House.jpg

আরও পড়ুন

bottom of page