top of page

মিলকি ফাঁড়ি জ্বালানোয় গ্রামবাসীরা জড়িত নয় বললেন ডালু

মিলকি ফাঁড়ির ঘটনা কাণ্ডে মৃত এনামূল খানের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন পুলিশ সুপার। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। উল্লেখ্য, গত রবিবার লক্ষ্মীপূজার রাতে ইংরেজবাজার থানার ফুলবাড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের নিয়ামতপুরে একটি জুয়ার ঠেকে হানা দেয় মিলকি ফাঁড়ির পুলিশ। সেই অভিযানে এনামূল খান নামে ৫৫ বছরের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপরেই মৃত্যু হয় ওই ব্যক্তির। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই স্থানীয় বাসিন্দারা মিলকি ফাঁড়ি ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয়।



এদিকে, এলাকার পরিস্থিতি নিয়ে বুধবার দুপুরে পুলিশ সুপারের সঙ্গে দেখা করেন দক্ষিণ মালদার কংগ্রেস সাংসদ আবু হাসেম খান চৌধুরি (ডালু)। পুলিশ সুপারের কাছে পুরো বিষয় সম্পর্কে শোনেন এবং সাংসদ ডালুবাবু নিজের মতামত পুলিশকে জানান। ডালুবাবু বলেন, মিলকি পুলিশ ফাঁড়ি ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় গ্রামবাসীরা জড়িত নেই। বহিরাগত কিছু দুষ্কৃতী হয়তো এই ঘটনার পিছনে জড়িত থাকতে পারে। কোনও নিরীহ গ্রামবাসীর শাস্তি পাওয়া উচিত নয়। পুলিশ যাতে সঠিক তদন্ত করে সেই বিষয়েই পুলিশের সুপারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।


পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়া জানিয়েছেন, মিলকি ফাঁড়িতে হামলার ঘটনার পর সেখানে অতিরিক্ত পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। গোটা এলাকা জুড়ে পুলিশের টহলদারি চলছে। পাশাপাশি ওই ফাঁড়ির সংস্কারের কাজও দ্রুততার সাথে শুরু করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, এনামূল খানকে স্থানীয় ডাক্তারবাবু মালদা মেডিকেল কলেজে রেফার করার পরেও উত্তেজিত জনতার রোষে তাকে মেডিকেল কলেজে নিয়ে আসা যায় নি। হয়তো সময়মত সেখানে নিয়ে যেতে পারলে এনামূল খানকে বাঁচান সম্ভব হত।

বিজ্ঞাপন

Malda-Guinea-House.jpg

আরও পড়ুন

bottom of page