top of page

প্লাস্টিক কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, দমকল কেন্দ্রের দাবি

প্লাস্টিক কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল কালিয়াচক ১ ব্লকের সুজাপুর এলাকায়। ঘণ্টা তিনেকের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে দমকলের তিনটি ইঞ্জিন। এই ঘটনায় হতাহতের কোনো খবর না থাকলেও অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতি হয়েছে কয়েক লক্ষ টাকার। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট কিংবা বিড়ি-সিগারেটের আগুন থেকেই এই ঘটনা ঘটেছে। এদিকে ঘটনার পর ফের কালিয়াচকে দমকল কেনদ্র স্থাপনের দাবি উঠতে শুরু করেছে।


মালদা জেলার প্লাস্টিক হাব হিসেবে পরিচিত সুজাপুর। ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের দু’ধার ধরে একাধিক প্লাস্টিকের কারখানা গজিয়ে উঠেছে। আজ সকালে একটি প্লাস্টিক কারখানার কর্মীরা কাজে গিয়ে দেখেন কারখানার ভেতর থেকে আগুন বেরোচ্ছে। নিমেষে সেই আগুন কারখানায় ছড়িয়ে পড়ে। কর্মী সহ স্থানীয় বাসিন্দারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় দমকলবাহিনী। প্রায় তিন ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে দমকলের তিনটি ইঞ্জিন।



এদিকে ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ওই কারখানার এক কর্মী সারথি চৌধুরি জানান, সকাল সাড়ে আটটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটে পর্যন্ত আমরা কাজ করি৷ আজ সকালে কাজে এসে দেখি, দাউদাউ করে আগুন জ্বলছে৷ আমরা ৩২-৩৩ জন মহিলা শ্রমিক এখানে প্লাস্টিক ছাঁটাইয়ের কাজ করি৷ তবে কীভাবে আগুন লাগল, তা বলতে পারব না৷


সুজাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের খাদ্য কর্মাধ্যক্ষ আবদুর রহমান বলেন,

সকালে একটি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল। এই এলাকায় প্রচুর প্লাস্টিকের কারখানা। দাহ্য পদার্থ নিয়েই ব্যবসা৷ অথচ কালিয়াচকে দমকল কেন্দ্র নেই৷ বিধায়ক ও মন্ত্রী যদি উদ্যোগ নিয়ে এখানে একটা দমকল কেন্দ্র স্থাপন করেন, তবে এলাকার মানুষ উপকৃত হবেন।


আমাদের মালদা এখন টেলিগ্রামেও। জেলার প্রতিদিনের নিউজ পড়ুন আমাদের অফিসিয়াল চ্যানেলে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন

Commentaires


বিজ্ঞাপন

Malda-Guinea-House.jpg

আরও পড়ুন

bottom of page