top of page

চাঁচলের সভামঞ্চ থেকে হুঙ্কার শুভেন্দুর

মালতিপুরে কে জিতবে জানা নেই, তবে রহিমকে জিততে দেব না। চাঁচলের কলমবাগানে সভা করতে এসে মন্তব্য বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর। পাশাপাশি তিনি প্রাক্তন আইপিএস অফিসার বর্তমানে শাসকদলের নেতা প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়কেও কটাক্ষ করেন। পালটা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধেও সরব হয়েছেন শাসকদলের নেতারা।


পুলিশ ও প্রশাসনের অনুমতি না পেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে শুক্রবার চাঁচলের কলমবাগানে সভা করেন শুভেন্দু অধিকারী। সভামঞ্চ থেকে শুভেন্দু বলেন, বিরোধী দলনেতা হয়েও ১০৪ বার কলকাতা হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে কর্মসূচি করতে হয়েছে৷ তৃণমূল যেদিন বিরোধী আসনে বসবে, সেদিন হিসাব হবে৷ এই রাজ্যে রাজনৈতিক কর্মসূচির পাশাপাশি ধর্মীয় কর্মসূচিতেও বাধা দেওয়া হয়৷ ২০১১ সাল থেকে তৃণমূল রাজ্যের ক্ষমতায় রয়েছে৷ ষোলর বিধানসভা নির্বাচনে এই জেলায় তৃণমূল শূন্য৷ চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনেও ওরা শূন্য৷ এখানকার মানুষ জানেন, তৃণমূল মানেই চোর৷ তাই তাঁরা তৃণমূলকে পছন্দ করেন না৷



কেন্দ্রীয় প্রকল্প নিয়েও তৃণমূল সরকারকে একহাত নেন শুভেন্দু। বলেন, তৃণমূলের নেতারা বলে, কেন্দ্রীয় সরকার আবাস যোজনার টাকা দেয়নি৷ ২০১৪ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত নরেন্দ্র মোদি সরকার রাজ্যকে ৪০ লক্ষ বাড়ির জন্য ৩০ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে৷ এই টাকা লাভলি খাতুনের মতো বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানরা লুট করেছে৷ স্বচ্ছ ভারত মিশনে এই রাজ্যে ৭২ লক্ষ শৌচাগার নির্মাণের জন্য ১২ হাজার টাকা করে দেয় কেন্দ্রীয় সরকার৷ সেই টাকাও এরা লুট করেছে। মনরেগা প্রকল্পে ২০০৪ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত রাজ্য পেয়েছে ১৪ হাজার কোটি টাকা৷ ২০১৪ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত পেয়েছে ৫৪ হাজার কোটি টাকা৷ সেই টাকাও ভুয়ো জবকার্ডধারীরা লুটে নিয়েছে৷


শুভেন্দু আরও বলেন, বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় আসলে ১০০ দিন নয়, বছরে ২০০ দিন কাজ দেওয়া হবে৷ চাঁচল পুরসভা হবেই৷ উত্তরবঙ্গে এইমসও হবে৷ মালদার পরিযায়ী শ্রমিকরা জেলায় কাজ পাবেন৷ প্রতি বছর এসএসসি হবে৷ ওএমআর কপি সবাই বাড়ি নিয়ে যাবেন৷ এসব আমাদের অঙ্গীকার৷”


আমাদের মালদা এখন টেলিগ্রামেও। জেলার প্রতিদিনের নিউজ পড়ুন আমাদের অফিসিয়াল চ্যানেলে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন

 

Comments


বিজ্ঞাপন

Malda-Guinea-House.jpg

আরও পড়ুন

bottom of page