top of page

ক্ষমতাচ্যূত হতেই অভিষেকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ

রাজ্যে ক্ষমতার বদল হতেই তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক ব্যানার্জির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী তথা ইংরেজবাজার পুরসভার চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরী। ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন পুরাতন মালদার প্রাক্তন চেয়ারম্যান কার্তিক ঘোষও।


কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরী জানান, শাসক ও বিরোধীদের মধ্যে একটা সুসম্পর্ক থাকা উচিৎ। দলের বিপর্যয়ের কথা যদি বলতে হয়, তবে বলতে হবে একজন ব্যক্তি দলটাকে তিলে তিলে শেষ করে দিল। তিনি অভিষেক ব্যানার্জি। টিভিতে দেখেছিলাম, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে লাঞ্ছিত হতে হয়েছে। ধাক্কা মেরে ফেলা দেওয়া হয়েছে। আমার খুব কষ্ট হচ্ছিল। আমার রাজনীতির জীবনে এধরণের ঘটনা দেখিনি। সমস্ত কিছুর জন্য দায়ী অভিষেক ব্যানার্জি। উনি যেভাবে কর্পোরেট হাউজের মতো দলটাকে নিয়ে গিয়েছিলেন, সেটা বাংলাতে চলে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও উপায় ছিল না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধৃতরাষ্ট্রের মতো আটকে দেওয়া হয়েছে। এখানে একজনকে প্রার্থী করা হয়েছে যিনি ঠিকমতো কথা বলতে পারেন না। ভাষা জ্ঞান নেই। আবার ৮৪ বছর বয়সী একজন কেও প্রার্থী করা হয়েছে। উনি আবার ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারেন না।



কার্তিক ঘোষ বলেন, অহংকারের পতন হয়েছে। বাংলার মানুষ নিজেদের ক্ষমতা প্রয়োগ করে অহংকারের পতন ঘটিয়েছে। আর এর জন্য পুরোপুরি দায়ী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। উনি দলের সম্পর্কে কী জানেন? ৩৪ বছরের একটা বাচ্চা ছেলে, প্রবীণ সাংসদ বিধায়কদের বাড়ির চাকর মনে করতেন। ওনার অফিসটায় দুর্নীতির সবচেয়ে বড়ো আখড়া। যারা ওনাকে মিষ্টির প্যাকেট পাঠাতেন না ওনাদের সরিয়ে দেওয়া হত।


আমাদের মালদা এখন টেলিগ্রামেও। জেলার প্রতিদিনের নিউজ পড়ুন আমাদের অফিসিয়াল চ্যানেলে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন

Comments


বিজ্ঞাপন

Malda-Guinea-House.jpg

আরও পড়ুন

bottom of page