top of page

স্বামীর মৃত্যুতে সন্দেহ, কবর থেকে তুলে ময়নাতদন্ত চান স্ত্রী

স্বামীর মৃত্যুতে সন্দেহ ছিল স্ত্রীর। মৃতদেহ কবরস্থ করার পর সেই সন্দেহ আরও বেড়ে যায়। অবশেষে সঠিক তথ্য পেতে স্বামীর মৃতদের কবর থেকে তুলে ময়নাতদন্তের আর্জি জানাল স্ত্রী। নিজের আর্জি স্থানীয় থানা, পুলিশসুপার ও জেলাশাসককে জানিয়েছেন তিনি।


মৃত ব্যক্তির নাম আফজাল খান (৫১)। বাড়ি কালিয়াচক ২ নম্বর ব্লকের পঞ্চানন্দপুর গ্রামপঞ্চায়েতের সেহের্দিটোলা গ্রামে৷ আফজাল মুম্বাইয়ে মাছের ব্যবসা করতেন৷ পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ইদুজ্জোহার পর মুম্বাইয়ে কাজ চলে গিয়েছিলেন আফজাল। গত ৮ সেপ্টেম্বর মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। পরদিন বাড়ির পাশে তাঁর মৃতদেহ কবরস্থ করা হয়।


আফজালের স্ত্রী সাবিনা খাতুন জানান, ৬ তারিখ সকালে তাঁর স্বামী ফোন করে। সেই সময় ফোনে কথা হয়েছিল তাঁর। সন্ধে ছটায় তিনি স্বামীকে ফোন করলে স্বামীর ঘরের সঙ্গী শওকত ফোন ধরে জানায়, স্বামীর অবস্থা ভালো নয়। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এরপর সে ৫০-৬০ হাজার টাকা চেয়ে পাঠায়। সেই টাকাও জোগাড় করে পাঠানো হয়। ৮ তারিখ সকালে স্বামীর মৃত্যুর খবর আসে। পরদিন মৃতদের ফিরে এলে তাঁর স্বামীর মৃতদেহ কবরস্থ করা হয়। পরে খোঁজ নিয়ে তাঁরা জানতে পারেন, ঘটনার দিন দুপুরে তাঁর স্বামীকে মারধর করা হয়েছিল। তাঁদের অনুমান, মারধর করেই তাঁর স্বামীকে খুন করা হয়েছে। তাই তাঁরা চান, কবর থেকে স্বামীর মৃতদেহ তুলে ময়নাতদন্ত করা হোক। বিষয়টি তিনি জেলাশাসক, পুলিশসুপার ও স্থানীয় মোথাবাড়ি থানায় জানিয়েছেন।



আফজাল সাহেবের দাদা আকমাউল হক জানান, গত ৬ সেপ্টেম্বর শওকত জানায়, তাঁর ভাইয়ের অবস্থা খারাপ৷ টাকা লাগবে৷ তাঁরা প্রায় ৬৫ হাজার টাকা পাঠান। আফজালের শারীরিক অবস্থা নিয়ে শওকত একেক সময় একেক রকম কথা বলতে থাকায় তাঁদের সন্দেহ হয়৷ পরে বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায়, আফজালকে মারধর করা হয়েছিল৷ শওকতকে চেপে ধরলে সে এই ঘটনা স্বীকার করে নেয়৷ আফজালের মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে মৃতদেহের ময়নাতদন্তের দাবি করছেন তাঁরা।




আমাদের মালদা এখন টেলিগ্রামেও। জেলার প্রতিদিনের নিউজ পড়ুন আমাদের অফিসিয়াল চ্যানেলে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন

Commentaires


বিজ্ঞাপন

Malda-Guinea-House.jpg

আরও পড়ুন

bottom of page