top of page

হস্টেলে চুল কাটা হল ছাত্রীর, থানায় অভিযোগ দায়ের

রাতে স্কুলের হস্টেলে ঘুমিয়েছিল পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রী। সেই সময় কেউ তার চুল কেটে নেয়। সকালে ঘুম ভাঙার পর চুল কেটে নেওয়ার বিষয়টি নজরে আসতেই আতঙ্কে কাঁদতে থাকে সে। স্কুল কর্তৃপক্ষ তড়িঘড়ি একটি পার্লারে নিয়ে গিয়ে ওই ছাত্রীর চুল ঠিক করার চেষ্টা করেন। কিন্তু তাতেও ওই ছাত্রী শান্ত না হওয়ায় পরিবারের লোকদের খবর দেওয়া হয়। এই ঘটনায় ওই স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন নির্যাতিতা ছাত্রীর অভিভাবকরা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মালদা শহরে।

জানা গিয়েছে, নির্যাতিতা ওই ছাত্রী কাজিগ্রাম গ্রামপঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দা। এর আগে ওই ছাত্রী একটি বেসরকারি স্কুলে পড়ত। কিন্তু টিউশন পড়ার সমস্যার জন্য গত জানুয়ারি মাসে পরিবারের লোকজন তাকে স্থানীয় একটি আবাসিক স্কুলে ভরতি করেন। সেখানে হস্টেলে থেকেই পড়াশোনা করছিল ওই ছাত্রী।


Student-hair-cut-in-hostel-complaint-lodged-at-police-station
চুল কাটা হয়েছে ছাত্রীর। সংবাদচিত্র।

নির্যাতিতা ওই ছাত্রীর পরিবারের অভিযোগ, স্কুল কর্তৃপক্ষের থেকে তাঁরা বিষয়টি জানতে পারেন। কিন্তু স্কুল কর্তৃপক্ষও প্রথমে তাঁদের বিষয়টি জানায়নি। পার্লারে নিয়ে গিয়ে মেয়ের চুল ঠিক করার চেষ্টা করেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। তাতেও মেয়ে শান্ত না হওয়ায় বাধ্য হয়ে তাঁদের জানানো হয়েছে। স্কুল কর্তৃপক্ষ দাবি করছে, রাতে এই ঘটনা ঘটনায় তারা কিছু বলতে পারছে না। কিন্তু রাতের অন্ধকারে যদি কেউ তাঁদের মেয়ের চুল কাটতে পারে, তবে চাইলে নিশ্চয় গলাও কাটতে পারে। এর দায় স্কুল কর্তৃপক্ষকেই নিতে হবে। এনিয়ে তাঁরা ইংরেজবাজার থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

স্কুল কর্তৃপক্ষের তরফে মুজিবর রহমান জানান,

বিষয়টি জানার পরই তাঁরা এনিয়ে তদন্ত করেছেন। তাঁরা জানতে পেরেছেন, ওই ছাত্রীর চুল কেটেছে তার এক সহপাঠী। মেয়েটি নিজের অপরাধ স্বীকারও করেছে। নির্যাতিত মেয়েটি নাকি তাকে সবসময় উত্যক্ত করত তাই রাগে সে এই কাজ করেছে বলে জানিয়েছে। দু’পক্ষের অভিভাবকদের সঙ্গে নিয়ে আমরা বিষয়টি মিটিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু ওনারা তাতে রাজি না হয়ে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে শুনতে পাচ্ছি।

আমাদের মালদা এখন টেলিগ্রামেও। জেলার প্রতিদিনের নিউজ পড়ুন আমাদের অফিসিয়াল চ্যানেলে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন

Komentarze


বিজ্ঞাপন

Malda-Guinea-House.jpg

আরও পড়ুন

bottom of page