top of page

রেশম শিল্পকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে মালদায় রাজ্যের প্রতিনিধি দল

রেশম শিল্পের সমস্যা সমাধানে ও সিল্ক পার্ক চালু করতে উদ্যোগ নিল রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার বিকেলে এমএসএমই দপ্তরের নেতৃত্বে রাজ্য সরকারের একটি প্রতিনিধি দল কালিয়াচকের শেরশাহী এলাকায় রেশম শিল্পের পরিকাঠামো পরিদর্শনে করেন। সেখান থেকে তাঁরা চলে যান সিল্ক পার্ক পরিদর্শনে। সন্ধেয় জেলা প্রশাসনিক কর্তাদের নিয়ে প্রশাসনিক ভবনে বৈঠকও করেন।


গতকাল রেশম শিল্পের পরিকাঠামো পরিদর্শনে যান এমএসএমই দপ্তরের বিশেষ সচিব দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়, রেশম বিভাগের ডেপুটি ডিরেক্টর (সদর) সুপ্রতিম দাস, দপ্তরের মালদা জেলার ডেপুটি ডিরেক্টর সুরজিৎ চৌধুরী, কেন্দ্রীয় রেশম পর্ষদের পোস্ট কোকুন বিভাগের বিজ্ঞানী সুপর্ণা সাহা, জেলা শিল্প কেন্দ্রের ডেপুটি ডিরেক্টর মানবেন্দ্র মণ্ডল সহ অন্যান্যরা।

সম্প্রতি মালদার নিস্তারি রেশমের সুতো জিআই ট্যাগ পেয়েছে৷ মালদায় উৎপাদিত সিল্কের গুণগতমানও অনেকেটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এখনও রেশম শিল্পে বেশ কিছু সমস্যা রয়েছে। সিল্ক পার্ক এখনও চালু না হওয়া তারমধ্যে অন্যতম।


উল্লেখ্য, বছর দুয়েক আগে এই সিল্ক পার্কের আনুষ্ঠানিক উদবোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দপ্তর সূত্রে খবর, এই পার্কে মোট ৫৬টি স্টল এবং ১৯টি প্লট রয়েছে৷ এর মধ্যে ১২টি স্টল ও পাঁচটি প্লট শিল্পদ্যোগীদের বিতরণও করা হয়েছে৷ কিন্তু এখনও পর্যন্ত সেই পার্ক চালু হয়নি৷


ree

এমএসএমই দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী তজমুল হোসেন জানান, মালদা জেলার কয়েক লক্ষ মানুষ রেশম শিল্পের সঙ্গে জড়িত। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে মালদা জেলায় ১ হাজার ৫৫০ মেট্রিক টন রেশম উৎপাদিত হয়েছে৷ মালদার রেশম এখন দক্ষিণ ভারতের পাশাপাশি চিনের সঙ্গেও পাল্লা দিচ্ছে৷ জেলার রেশম শিল্পকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে রাজ্য সরকার সবরকম চেষ্টা চালাচ্ছে। তৃণমূল সরকারের আমলে জেলায় রেশম শিল্পের অনেক উন্নতি হয়েছে৷ তবে আরও উন্নতির প্রয়োজন রয়েছে৷ সেসব খতিয়ে দেখতেই রাজ্যের প্রতিনিধি দল জেলায় এসেছিল৷ প্রশাসনিক বৈঠকে সমস্যা ও সমাধান নিয়ে আলোচনা হয়েছে৷


আমাদের মালদা এখন টেলিগ্রামেও। জেলার প্রতিদিনের নিউজ পড়ুন আমাদের অফিসিয়াল চ্যানেলে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন

Comments


বিজ্ঞাপন

Malda-Guinea-House.jpg

আরও পড়ুন

bottom of page