top of page

উত্তরপ্রদেশ থেকে ফিরল এক, অপেক্ষা আরও ছয়ের

পেটের তাগিদে উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ে গিয়েছিল হরিশ্চন্দ্রপুর ২ ব্লকের ডাঙ্গিলা ও জনমতল গ্রামের বেশ কয়েকজন যুবক৷ প্রায় ১৩-১৪ বছর ধরে তারা লখনউয়ে একটি হোটেলে কাজ করত৷ সম্প্রতি গোটা দেশের সঙ্গে উত্তরপ্রদেশেও শুরু হয়েছে সিএএ ও এনআরসি বিরোধী আন্দোলন৷ সেই আন্দোলনের জেরে গোটা দেশের সঙ্গে লখনউয়েও সৃষ্টি হয়েছে অশান্তির৷


উত্তরপ্রদেশে আন্দোলনে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষ বেধে যায়। সেই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে হরিশ্চন্দ্রপুরের ছয় যুবক৷ উত্তরপ্রদেশ পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয় তারা৷ পুলিশের হাত থেকে ছাড়া পেয়ে সম্প্রতি এক যুবক চান্দু আলি ফিরে এসেছে হরিশ্চন্দ্রপুরে৷পা ভেঙে আপাতত বাড়িতে শয্যাশায়ী সে।



চান্দু আলি জানান, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে লখনউয়ে ওপিনিয়ন রেস্টুরেন্টে কাজ করি৷ সেখানকার তুলসি মার্কেটে রয়েছে রেস্টুরেন্টটি৷ যেদিন গোলমাল শুরু হয় সেদিন আমরা হোটেলেই কাজ করছিলাম৷ গোলমাল দেখে হোটেলের শাটার বন্ধ করে দিই৷ ভিতরে আমরা ১০-১২ জন ছিলাম৷ পুলিশ হোটেলের ভিতরে ঢুকে আমাদের মারতে শুরু করে৷ মারে আমার বাম পা ভেঙে যায়৷ ১০-১৪ বছর ধরে আমরা সেখানে কাজ করছি৷ এই এলাকার অনেক ছেলে সেখানে কাজ করে৷ আমরা কেউ ওই ঝামেলায় ছিলাম না৷ তবে পুলিশ আমাকে গ্রেফতার করেনি।


চান্দু বাড়ি ফিরতে পারলেও এখনও ভিন রাজ্যের সংশোধনাগারে এই দুই গ্রামের ছয় যুবক৷ তারা কবে বাড়ি ফিরতে পারবে কেউ জানে না।

বিজ্ঞাপন

Malda-Guinea-House.jpg

আরও পড়ুন

bottom of page