top of page

চিত্র সাংবাদিক মিসবাহুল হকের অকাল প্রয়াণ

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে আকস্মিক মৃত্যু হল জেলার অন্যতম চিত্র সাংবাদিক মিসবাহুল হকের। গতকাল ২৩ তম বিবাহবার্ষিকী ছিল তাঁর। সেই রাতেই তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন। চিকিৎসার জন্য তাঁকে তড়িঘড়ি মালদা মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হলেও চিকিৎসকদের পরিশ্রম বৃথা যায়। রাত দুটো নাগাদ মাত্র ৫১ বছর বয়সে তাঁর মৃত্যু হয়। বাড়িতে তাঁর স্ত্রী ও পুত্র বর্তমান। তাঁর মৃত্যুতে জেলার সাংবাদিক মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।


Misbahul Haque

জেলার সাংবাদিক মহলে শোকের ছায়া


মিসবাহুল হকের জন্ম ৩১ জুলাই, ১৯৬৮। বাবা মহবুবুল হক ছিলেন মালদা মডেল মাদ্রাসার শিক্ষক। মালদা জিলা স্কুলের প্রাক্তনী মিসবাহুল ছোটো থেকেই মেধাবী ছাত্র ছিলেন। পরবর্তীতে কলকাতায় ব্যাপটিস্ট মিশনে থেকে পড়াশুনা করেন। ১৯৯০ সালে কলকাতার আর্মহাস্ট স্ট্রিট সিটি কলেজ থেকে স্নাতক হন। কর্মজীবনের শুরুতে তিনি একজন পেশাদার কম্পিউটার হার্ডওয়ার ও সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। ওয়েব ডিজাইন ও ভিডিয়ো এডিটিং বিষয়েও তাঁর যথেষ্ট পারদর্শিতা ছিল। পরবর্তীকালে তিনি মালদা জেলায় চিত্র সাংবাদিক রূপে যথেষ্ট পরিচিতি লাভ করেন। অজাতশত্রু, স্বল্পভাষী, সদাহাস্য মানুষটির সবসময়ের সঙ্গী ছিল সাইকেল ও ক্যামেরা। ১৯৯৬ সালে তিনি বিয়ে করেন। বিভিন্ন বিষয়ের উপর ছবি তোলার নেশা ছিল তাঁর। তিনি ছিলেন অত্যন্ত ভ্রমণপিপাসু মানুষ। অবসর পেলেই কাঁধে ক্যামেরাকে সঙ্গী করে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়াতেন। চিত্র সাংবাদিক হিসাবে তিনি বর্তমান, আমাদের মালদা, রূপান্তরের পথে ইত্যাদি বিভিন্ন সংবাদপত্রের সাথে যুক্ত ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে জেলার সাংবাদিকগণ সকলে শোকাহত। আমাদের মালদা’র পক্ষ থেকে মিসবাহুল হকের আত্মার চিরশান্তি কামনা করি। সর্বশক্তিমান যেন তাঁর স্ত্রী সিমি হক ও একমাত্র ছেলে আরমানকে এই আঘাত সহ্য করার শক্তি দেন।

বিজ্ঞাপন

Malda-Guinea-House.jpg

আরও পড়ুন

bottom of page