কংগ্রেসের ডেপুটেশনে উত্তেজনা, যানজট
- আমাদের মালদা ডিজিট্যাল

- 2 hours ago
- 1 min read
কংগ্রেসের ডেপুটেশন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা জেলা প্রশাসনিক ভবন চত্বরে। শহরের প্রাণকেন্দ্র পোস্ট অফিস মোড়ে কংগ্রেস কর্মীদের খানিক সময়ের অবরোধের জেরে শহরে ব্যাপক যানজট তৈরি হয়। প্রশাসনিক ভবন চত্বরে থাকা মুখ্যমন্ত্রীর ছবি সহ পোস্টার ছিঁড়ে ফেলারও অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে বৃন্দাবনি ময়দানের গান্ধি মূর্তির পাদদেশে কংগ্রেস সভা করে। সেখানে বক্তব্য রাখার পর কংগ্রেসের নেতাকর্মীরা মিছিল করে প্রশাসনিক ভবনের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন। কংগ্রেসের এই ডেপুটেশন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিকভবন চত্বরে মোতায়েন ছিল পুলিশ। কংগ্রেসের নেতাকর্মীরা প্রশাসনিকভবন চত্বরের সামনে থাকা ব্যারিকেডে সরিয়ে এগিয়ে যান। তবে প্রশাসনিকভবনের মূল গেট অতিক্রম করতে পারেননি কেউই। অবশেষে কংগ্রেসের এক প্রতিনিধি দল কংগ্রেসের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন।

সাংসদ তথা দলের জেলা সভাপতি ইশা খান চৌধুরী বলেন, বিজেপি আর তৃণমূলের মধ্যে সেটিং আছে৷ ২০২০ সালে সারদা কাণ্ডে বাংলার গরিব মানুষের ২০ হাজার কোটি টাকা চলে গিয়েছে৷ সেই সময় বিজেপি বলেছিল, এই ঘটনায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের গোটা ক্যাবিনেট এই কাণ্ডে জড়িত রয়েছে৷ তারা জড়িতদের সবাইকে গ্রেফতার করবে৷ নির্বাচন শেষ হতেই এই নাটক শেষ হয়ে যায়। ২০২১ সালে এনআরসি নিয়েও সেটিং ছিল। বিজেপি মানুষকে এনআরসির ভয় দেখাল৷ তৃণমূলও চাইল, মানুষ ভয় পেয়ে তৃণমূলকে ভোট দিক। সেভাবেই ভোট ভাগ হয়ে নির্বাচন হয়েছে৷ ধর্মকে সামনে রেখে মানুষকে বিভাজনের রাজনীতি আর কতদিন চলবে? মানুষ সব বুঝতে পারছে। সময়ে সাধারণ মানুষ জবাব দেবে।
মৌসম নূর বলেন, মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, তিনি বাংলায় এসআইআর হতে দেবেন না৷ অথচ এখন রাজ্য সরকারের প্রশাসনই এসআইআর করছে৷ আমরা বিডিওকে কিছু বলতে গেলে তাঁরা বলছেন, জেলাশাসকের কাছে যেতে হবে৷ তাই আজ আমরা জেলাশাসকের কাছে এসেছি৷ এসআইআর-এর জন্য কত গরিব মানুষ কাজে যেতে পারছে না৷ সকাল থেকে সন্ধে পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে৷ এটা সকলের লড়াই সকলকে একসঙ্গে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে।
আমাদের মালদা এখন টেলিগ্রামেও। জেলার প্রতিদিনের নিউজ পড়ুন আমাদের অফিসিয়াল চ্যানেলে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন













Comments