top of page

আবাস যোজনা নিয়ে ক্ষোভ পুরাতন মালদার উপভোক্তাদের

আবাস যোজনা নিয়ে এখনও ক্ষোভ উপভোক্তাদের মধ্যে। বেশ কিছু ব্লকের সঙ্গে সেই ছবি পুরাতন মালদাতেও। আবাস যোজনার পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন উপভোক্তারা।


উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় আবাস যোজনায় উপভোক্তাদের চূড়ান্ত তালিকা তৈরির পর প্রথম দফায় ২৫ হাজার আবেদনপত্র নির্দিষ্ট পোর্টালে আপলোড করে দিয়েছে জেলা প্রশাসন৷ কিন্তু তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ায় এখনও ক্ষোভের আগুন জ্বলছে পুরাতন মালদার উপভোক্তাদের মধ্যে।


ডাকাতপুকুর গ্রামের এক উপভোক্তা রণিতা খাতুন বলেন, যাদের পাকা বাড়ি আছে, তাদের পরিবারের একাধিক সদস্যের নাম আবাস যোজনার তালিকায় আছে৷ বিষয়টি ব্লক প্রশাসনকে জানালে দফতর থেকে জানানো হচ্ছে, এখন আর কিছুই হবে না। সময় এলে ঘর দেওয়া হবে। তবে কি মৃত্যুর পর তালিকায় নাম আসবে? আরেক ক্ষুব্ধ উপভোক্তা সাইনুর বিবি জানান, যাদের পাকা বাড়ি আছে, জমি আছে, তাদের বাড়িতে সার্ভে হচ্ছে৷ তারা ঘর পাচ্ছে৷ অথচ প্রকৃত উপভোক্তারা বঞ্চিত থাকছে। টাকা দিয়ে সার্ভে করিয়ে অনেক লোক পাকা বাড়ি থাকা সত্ত্বেও এই যোজনার সুবিধে পাচ্ছেন। অথচ তাঁদের মতো গরিবরা সরকারি সুবিধে পাচ্ছেন না।



যাত্রাডাঙা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান নুর হক বলেন, এই যোজনায় যারা ঘর পাওয়ার যোগ্য, ঘর না পাওয়ায় তাদের ক্ষোভ হওয়া খুব স্বাভাবিক৷ তবে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার তালিকা নিয়ে কিছুই পঞ্চায়েত সদস্য কিংবা প্রধানের হাতে নেই৷ ২০১৮ সালের প্রায় পাঁচ হাজার উপভোক্তার ফর্ম জমা করা হয়েছিল৷ কিন্তু তার মধ্যে মাত্র ১০০ জনের নাম তালিকায় রয়েছে৷




আমাদের মালদা এখন টেলিগ্রামেও। জেলার প্রতিদিনের নিউজ পড়ুন আমাদের অফিসিয়াল চ্যানেলে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন

Comments


বিজ্ঞাপন

Malda-Guinea-House.jpg

আরও পড়ুন

bottom of page