পুলিশ দিয়ে বিজেপি নেতা-কর্মীদের ভয় দেখানো হচ্ছেঃ দিলীপ ঘোষ

পুলিশ দিয়ে বিজেপি নেতা-কর্মীদের ভয় দেখানো হচ্ছেঃ দিলীপ ঘোষ


দলীয় কর্মসূচিতে জেলায় এসে সাংবাদিকদের সামনে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ মন্তব্য করলেন ‘অনেক কিছু কামিয়েছে৷ কিন্তু এখন কামানোর জায়গা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে৷ যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গো-হত্যার পক্ষে ছিলেন, এখন তিনিই ব্লকে ব্লকে গোরু দান করছেন৷ কী কারণে এই গোরু দান, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে৷ এই গোরুগুলি এখানে থাকবে, নাকি বাংলাদেশে চলে যাবে, সেটাই এখন বড়ো প্রশ্ন৷’ একই সঙ্গে তিনি এদিন পরিষ্কার ইঙ্গিত দিয়েছেন, পাহাড়ে তাঁরা গুরুং-এর সঙ্গেই আছেন৷ এদিন বীরভূম প্রসঙ্গ নিয়েও মন্তব্য করেন দিলীপবাবু৷


এদিন কালিয়াচক ৩ ব্লকের রাজনগর ও বামনগোলা ব্লকের পাকুয়াহাটে জনসভায় অংশ নেবেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি৷ তিনি জানান, ওই দুই জায়গায় অন্যান্য দল থেকে প্রচুর নেতা-কর্মী তাঁদের দলে যোগ দেবেন৷ এই দুই জনসভা ছাড়াও এদিন বিকেলে জেলা বিজেপির সদর দপ্তরে সাংগঠনিক সভায় অংশ নেবেন তিনি৷ উত্তরবঙ্গে তাঁদের সংগঠন বেশ ভালো৷ সেই সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে তিনি উত্তর সফরে রয়েছেন৷ তাঁদের এই উত্থানে তৃণমূল দৃশ্যতই ভয় পেয়ে গিয়েছে৷ কারণ, শাসকদলেরই বেশিরভাগ নেতা-কর্মী তাঁদের দলে যোগ দিচ্ছেন৷ রাজনৈতিকভাবে এর মোকাবিলা করতে পারছে না তৃণমূল৷ তাই পুলিশ দিয়ে তাঁদের দলের নেতা-কর্মীদের ভয় দেখানো হচ্ছে৷ আশঙ্কা থেকেই গতকাল কোচবিহারের হরিণচওড়ায় তাঁকে আটকে দেয় পুলিশ৷ এতে অবশ্য তাঁদের ক্ষতির পরিবর্তে লাভই হচ্ছে৷

এদিকে গতকালই বীরভূমে আবদুল মান্নান ও বিকাশ ভট্টাচার্যকে আটকে দেওয়া হয়৷ সেখানে রাজনৈতিক সংঘর্ষ বাধে৷ তা নিয়ে প্রকাশ্যে পুলিশ প্রশাসনকে হুমকি দিয়েছেন বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল৷ সেই ঘটনার প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে এদিন দিলীপবাবু বলেন, বীরভূম সমাজবিরোধীদেরই জায়গা৷ আর সেই সব দুষ্কৃতীদের নিয়ন্ত্রণ করেন সেখানকার জেলা তৃণমূল সভাপতি৷ ওই জেলার বালি খাদান, পাথর খাদান, কয়লা খাদান থেকে তোলা আদায় করে তৃণমূল৷ তাই সেখানে সবাইকে দাবিয়ে রাখার চেষ্টা করা হয়৷ সিপিএম এখন আর কোনও বিরোধিতা করতে পারে না৷ তারা শুধু খোঁচা দেয়৷ ময়দানে নেমে এখন তাঁরাই এই সব সমাজবিরোধীদের বিরোধিতা করছেন৷ ওই জেলার তৃণমূল সভাপতি পুলিশকে মারবেন বলে গরম গরম ভাষণ দেন৷ কিন্তু এখন ওদের পার্টি অফিসেই বোমা ফাটছে৷ তাঁদেরই বিধায়ক আক্রান্ত হচ্ছেন৷ নিজেদের মধ্যে মারামারিতে খুন হচ্ছেন তৃণমূল কর্মীরা৷ ওই জেলায় এক ভয়ঙ্কর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে৷ সাধারণ মানুষের জীবন অতিষ্ঠ হয়ে গিয়েছে৷ তোলা আদায়ের টাকা পার্টি ফান্ডে না ঢোকায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর ভাইপো দলের লোকদেরই বিশ্বাস করেন না৷ তাই তাঁরা টাকা তোলার ভার দিয়েছেন পুলিশকে৷ সারা রাজ্য জুড়েই পুলিশ সেই কাজ করে যাচ্ছে তৃণমূলের ক্যাডার হয়ে৷

দিলীপবাবু এদিন পরিষ্কার ইঙ্গিত দিয়েছেন, পাহাড়ে তাঁরা বিমল গুরুং-এর পাশেই রয়েছেন৷ প্রথমে তিনি বলেন, তাঁরা গুরুং-এর সঙ্গে নেই৷ গুরুং-এর দল আলাদা, তাঁদের আলাদা৷ গুরুং-এর সঙ্গে তাঁদের নির্বাচনি জোট হয়েছিল৷ অবশ্য পরমুহূর্তেই তিনি বলেন, গুরুং এখনও পাহাড়ের নেতা৷ ওরা জোর করে বিনয় তামাংকে নেতা বানিয়েছে৷ কিন্তু বিনয় তামাং ভয়ে বাড়ি থেকে বেরোতে পারে না৷ সে আবার কী নেতা হবে? তাই গুরুংকে আটকে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে যাতে টিএমসি দাঁড়াতে পারে৷ কিন্তু টিএমসি বা তামাং, কেউই সেখানে দাঁড়াতে পারবে না৷ গুরুং-এর বিরুদ্ধে যে অবিচার হচ্ছে, রাজনৈতিক জোটের সদস্য হিসেবে তাঁরা এর প্রতিবাদ করছেন৷

#DigitalDesk

হেডলাইন

প্রতিবেদন

কোয়রান্টিন সেন্টারে জন্মদিনের পার্টি, নজির গড়ল দীপান্বিতা

জন্মদিনের অনুষ্ঠানে বন্ধুদের বাড়িতে ডেকে খাওয়ানো নয়, পরিযায়ী শ্রমিকদের মধ্যে খাবার বিতরণ করে নজির সৃষ্টি করল ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রী। গত...

বিজ্ঞাপন

ফলো করুন
  • Facebook
  • Instagram
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest

সব খবর ইনবক্সে!

প্রতিদিন খবরের আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন

Aamader Malda Worldwide, the only media of your hometown and its thoughts. Here you can share and express your views and thoughts and you'll get here the essence of MALDAIYA CULT...

You can reach us via email or phone.  P +91 3512-260260  E response@aamadermalda.in

  • Facebook
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest
  • Instagram
  • RSS

Copyright © 2020 Aamader Malda. All Rights Reserved.