top of page

কালিয়াচক খুন কাণ্ডে শীঘ্রই চার্জশিট দিচ্ছে পুলিশ

আগামী মাসেই কালিয়াচকের চার খুনের মামলায় চার্জশিট পেশ করছে পুলিশ। আজ সেকথা জানিয়েছেন পুলিশসুপার অলোক রাজোরিয়া। একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, খুনের মামলার পাশাপাশি মূল অভিযুক্ত আসিফ মোহম্মদের ডার্ক ওয়েব যোগ ও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের মামলারও তদন্ত চলছে।

গত ১৮ ফেব্রুয়ারি নিজেদের বাড়ির দেওয়াল লাগানো নির্মীয়মাণ গুদামঘরে পরিবারের পাঁচ সদস্যকে জলে ডুবিয়ে, শ্বাসরোধ করে খুন করার চেষ্টা করে আসিফ। ভাগ্যচক্রে সঠিক সময়ে ঘুমের ওষুধের প্রভাব কেটে যাওয়ায় প্রাণে বেঁচে যান তার দাদা আরিফ মোহম্মদ। ভাইয়ের হাত এড়িয়ে কোনওরকমে পালিয়ে যান তিনি। পরে মামার পরামর্শে ঘটনার চার মাস পর তিনি কালিয়াচক থানায় গিয়ে গোটা ঘটনার বর্ণনা দেন। পরদিন, ১৯ জুন ওই গুদামের মেঝে খুঁড়ে চারটি পচাগলা দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। দেহগুলি আসিফের বাবা-মা, বোন ও ঠাকুমার। এই খবর প্রচার শুরু হতেই চাঞ্চল্য পড়ে যায় গোটা দেশ জুড়ে।


নিজেদের হেপাজতে নিয়ে আসিফকে দফায় দফায় জেরা শুরু করেন পুলিশ আধিকারিকরা। পরদিনই দুই বন্ধুর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি। সেসব দুই বন্ধুকে আসিফই রাখতে দিয়েছিল বলে সে স্বীকার করে নেয়। তবে পরিবারের চারজনকে খুনের পরও আসিফের নিষ্পৃহতায় অবাক দুঁদে পুলিশকর্তারা। তাঁদের অনেকের ধারণা, আসিফ মানসিক বিকৃতির শিকার। এই ঘটনায় পুলিশের তরফে দুটি মামলা রুজু করা হয়। একটি খুনের, দ্বিতীয়টি আগ্নেয়াস্ত্র সংক্রান্ত। জানা যাচ্ছে, ইলেকট্রনিক গ্যাজেটের ফরেনসিক তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে আরও মামলা রুজু করা হতে পারে।




আজ পুলিশসুপার জানান, তাঁরা খুনের মামলায় তদন্তের কাজ প্রায় শেষ করে ফেলেছেন। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে বাকি তদন্ত শেষ করে ফেলা হবে। তাঁর আশা, জুলাইয়ের শেষেই তাঁরা খুনের মামলার চার্জশিট জমা করতে পারবেন। আসিফের ইলেকট্রনিক গ্যাজেটগুলি ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। তবে আগ্নেয়াস্ত্র সংক্রান্ত মামলার তদন্ত এখনও চলছে।


আমাদের মালদা এখন টেলিগ্রামেও। জেলার প্রতিদিনের নিউজ পড়ুন আমাদের অফিসিয়াল চ্যানেলে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন

Comentários


বিজ্ঞাপন

Malda-Guinea-House.jpg

আরও পড়ুন

bottom of page