টোটোচালককে মারধরের অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে, প্রতিবাদে অবরোধ
- আমাদের মালদা ডিজিট্যাল
- 4 hours ago
- 2 min read
পুজো এগিয়ে আসতেই পুলিশের দাদাগারি বাড়ছে বলে অভিযোগ উঠেছে রতুয়া থানার সামসীতে। বুধবার রাতে এক টোটোচালক যাত্রী নিয়ে সামসী রেল স্টেশনে যান৷ বাড়ি ফেরার সময় সামসীর ঘাসিরাম মোড়ের কাছে তিনি রাস্তার ধারে টোটো রেখে একটি দোকানে চা-বিস্কুট খাচ্ছিলেন৷ অভিযোগ, সেই সময় সামসী পুলিশ ফাঁড়ির অফিসার সহ অন্য পুলিশকর্মীরা তাঁকে বেধড়ক মারধর করেন৷ স্থানীয় বাসিন্দারা গুরুতর আহত অবস্থায় ওই টোটোচালককে রতুয়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান৷ বৃহস্পতিবার তাঁকে মালদা মেডিকেলে রেফার করা হয়৷ প্রতিবাদে এদিন ৮১ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন ওই এলাকার মানুষজন৷ ঘণ্টা দুয়েক স্তব্ধ হয়ে যায় জাতীয় সড়ক৷ আটকে পড়ে বহু যানবাহন৷ শেষ পর্যন্ত বিষয়টি তদন্ত করে দেখার প্রতিশ্রুতিতে অবরোধ ওঠে।
আহত টোটোচালকের নাম ইউনুস আলি৷ বাড়ি সামসী গ্রাম পঞ্চায়েতের মহেশপুর গ্রামে৷ ইউনুস জানান, গ্রামেরই একজনকে নিয়ে আমি স্টেশনে গিয়েছিলাম৷ তাঁকে স্টেশনে পৌঁছে আমি টোটো নিয়ে বাড়ির দিকে রওনা দিই৷ ফেরার পথে দোকানের সামনে টোটো রেখে চা আর বিস্কুট খেতে গিয়েছিলাম৷ তখনই পুলিশের গাড়ি এসে আমার টোটোর কাছে দাঁড়ায়। গাড়ি থেকে নেমেই অফিসার দিলীপ চৌধুরী আমাকে মারতে শুরু করেন৷ আমার কোনও কথা তিনি শুনতে চাননি৷ অন্য পুলিশকর্মীরাও আমাকে মারধর করেছে৷ এলাকার অনেকেই এই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী। পাশাপাশি ওই এলাকাতে সিসি ক্যামেরাও রয়েছে। সেই ফুটেজ দেখলেই সব পরিষ্কার হয়ে যাবে।

সামসী গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য কলিমুদ্দিন শামস জানান, এই ঘটনা নিয়ে সামসী ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসারের সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি আমাকে আশ্বস্ত করেছেন৷ ঘটনাটির মীমাংসার জন্য তিনি আমাদের সন্ধে সাতটার পর সময় দিয়েছেন৷ পুলিশ অফিসার দিলীপ চৌধুরী যে ঘটনা ঘটিয়েছেন সেটা অমানবিক ঘটনা৷ তাঁকে সাসপেন্ড করতে হবে৷ প্রশাসন কথা না রাখলে আগামী দিনে আরও বড়ো আন্দোলন হবে।
চাঁচল মহকুমা আধিকারিক সোমনাথ সাহা জানিয়েছেন, গোটা ঘটনা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে৷ অভিযোগ সত্যি প্রমাণিত হলে ওই পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করা হবে৷
আমাদের মালদা এখন টেলিগ্রামেও। জেলার প্রতিদিনের নিউজ পড়ুন আমাদের অফিসিয়াল চ্যানেলে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন
Comments