top of page

চিকিৎসায় গাফিলতিতে শিশু মৃত্যুর অভিযোগ হাসপাতালে

পেট ফুলে গিয়ে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিল শিশু। কিন্তু হাসপাতালে ভরতি নেওয়ার বদলে ইংজেকশন দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ঘণ্টা দেড়েক পরে ওই শিশুর মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন ওই শিশুর পরিবারের লোকজন।


হরিশচন্দ্রপুর সদর এলাকার রামরায় গ্রামের বাসিন্দা সুজন দাস। তাঁর স্ত্রী মালা দাস হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামপঞ্চায়েতের বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, তাঁদের আড়াই বছরের ছেলে বিষ্ণু দাস বেশ কিছুদিন ধরে শারীরিক সমস্যায় ভুগছিল। ক্রমশ পেট ফুলে যাচ্ছিল তার। বুধবার রাতে সমস্যা বেশি হওয়ায় পরিবারের লোকজন বিষ্ণুকে নিয়ে হাসপাতালে যায়। অভিযোগ, কর্তব্যরত চিকিৎসক বিষ্ণুকে দেখে ওষুধ এবং ইনজেকশন দিয়ে ছেড়ে দেন। পরিবারের লোকেরা বিষ্ণুকে হাসপাতালে ভরতি করতে বললেও চিকিৎসক ভরতি নেননি। বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যেতেই বিষ্ণুর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হতে থাকে। পরিবারের লোকেরা ফের বিষ্ণুকে হাসপাতালে নিয়ে আসে। কর্তব্যরত চিকিৎসকরা বিষ্ণুকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।



বিষ্ণু দাসের বাবা সুজন দাস বলেন,

ছেলের পেট ফুলে যাচ্ছিল। সন্ধ্যেবেলা আমরা হাসপাতলে নিয়ে আসি। তখন ওকে একটা ইনজেকশন দেওয়া হয়। কিন্তু ছেলেকে ভরতি নেয়নি। বাড়ি নিয়ে যাওয়ার পরেই ছেলে যন্ত্রণায় কাতরাতে থাকে। আবার ছেলেকে হাসপাতালে নিয়ে আসি। চিকিৎসকরা এরপর ছেলেকে মৃত বলে ঘোষণা করে। চিকিৎসায় গাফিলতির কারণে ছেলের মৃত্যু হয়েছে।

হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালের চিকিৎসক সুব্রত চৌধুরি বলেন, বাচ্চাটিকে মৃত অবস্থায় নিয়ে আসা হয়েছিল। পরিবারের লোকজন বলছেন, তাঁরা ঘণ্টা দুয়েক আগেও বাচ্চাটিকে নিয়ে এসেছিলেন। সেই সময় তিনি ডিউটিতে ছিলেন না। তাই তিনি বিষয়টি বলতে পারবেন না।


আমাদের মালদা এখন টেলিগ্রামেও। জেলার প্রতিদিনের নিউজ পড়ুন আমাদের অফিসিয়াল চ্যানেলে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন

Comentarios


বিজ্ঞাপন

Malda-Guinea-House.jpg

আরও পড়ুন

bottom of page