top of page

পথ ভুলে মালদায়, চিকিৎসার পর ট্রেনে ঘরে পাঠানো হল প্রৌঢ়কে

আগরতলায় জামাইয়ের বাড়ি যাচ্ছিলেন। কিন্তু ভুল করে চলে আসেন মালদায়। ট্রেন থেকে নেমেই মালদা শহরে উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘুরতে থাকেন তিনি। মহেশমাটি এলাকায় ওই প্রৌঢ়কে অকারণে ঘুরতে দেখেন বিদায়ী কাউন্সিলর শুভময় বসু। তিনি ওই প্রৌঢ়কে ঘরে ফেরানোর ব্যবস্থা করেন। আজ তাঁকে ফিরিয়ে নিয়ে যান তার স্ত্রী ও জামাই।


ত্রিপুরার উদয়পুর স্টেশন থেকে ডাউন কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে আগরতলা স্টেশন যাচ্ছিলেন কেশব ভৌমিক (৬৫)। পক্ষাঘাতে আক্রান্ত এবং খানিকটা মানসিক ভারসাম্যহীন কেশববাবু বুঝতে না পেরে মালদায় এসে পৌঁছন। ট্রেন থেকে নেমেই উদ্দেশ্যহীনভাবে মহেশমাটি এলাকায় ঘোরাঘুরি করতে থাকেন তিনি। বিষয়টি নজরে আসে ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের বিদায়ি কাউন্সিলর শুভময় বসুর।


শুভময়বাবু জানান, গত ৬ জুলাই ওই বৃদ্ধকে মহেশমাটি এলাকায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। শারীরিক অবস্থা দেখে বোঝা যায় তাঁর কোনও সমস্যা রয়েছে। বিষয়টি চাইল্ড লাইন ও একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে জানানো হয়। চাইল্ড লাইনে কাজ না হলেও তাঁরা মানবিক হয়ে ওই বৃদ্ধকে নিজেদের হেপাজতে নিয়ে মালদা মেডিকেল কলেজে ভরতি করে। কাউন্সেলিংয়ে তাঁর নাম পরিচয় জানা যায়। খবর দেওয়া হয় তাঁর বাড়িতে। আজ তাঁর স্ত্রী ও জামাইয়ের হাতে তাঁকে তুলে দেওয়া হয়েছে।



জেলা চাইল্ড লাইনের কাউন্সিলর ব্যোমকেশ দত্ত জানান, খবর পেয়ে মহেশমাটি এলাকা থেকে ওই বৃদ্ধকে উদ্ধার করা হয়েছিল। মালদা মেডিকেল কলেজে তাঁর চিকিৎসা চলছিল। তাঁর পরিচয় জানতে পেরেই ত্রিপুরা চাইল্ড লাইনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। ত্রিপুরা চাইল্ড লাইনের সাহায্যে তাঁর পরিবারের খোঁজ মেলে। আজ ওই বৃদ্ধকে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।



প্রৌঢ়ের জামাই সুমন বিশ্বাস জানান, শ্বশুরমশাই আগরতলা স্টেশন থেকে টোটো না ধরে আবার ট্রেনে উঠে বসেন। মালদা টাউন স্টেশনে তিনি নেমে পড়েন। চাইল্ড লাইনের মাধ্যমে তাঁর খোজ মেলে। আজ চাইল্ড লাইন শ্বশুরমশাইকে আমাদের হাতে তুলে দিয়েছে।


আমাদের মালদা এখন টেলিগ্রামেও। জেলার প্রতিদিনের নিউজ পড়ুন আমাদের অফিসিয়াল চ্যানেলে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন

Commenti


বিজ্ঞাপন

Malda-Guinea-House.jpg

আরও পড়ুন

bottom of page