বিচারকদের হেনস্তার তদন্তে মালদায় এনআইএ
- আমাদের মালদা ডিজিট্যাল

- 4 minutes ago
- 2 min read
কালিয়াচক ২ ব্লক অফিসে এসআইআর প্রক্রিয়ার কাজে যুক্ত থাকা বিচারকদের হেনস্তার ঘটনার তদন্তে মালদায় এল কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থা এনআইএ-র প্রতিনিধি দল। ইতিমধ্যে মোথাবাড়ির ঘটনায় ২৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কালিয়াচকের ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে মূল প্ররোচক হিসেবে অভিযুক্ত সহ দুজনকে। ইংরেজবাজারের যদুপুর এলাকায় পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুর ও অবরোধের ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৯ জনকে। সব মিলিয়ে গ্রেপ্তার হয়েছে মোট ৩৫ জন।
শুক্রবার সকালে মোথাবাড়ি থানা এলাকা পরিদর্শনে যান আইজি উত্তরবঙ্গ কে জয়রামন। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, মালদা জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় হিংসার ঘটনা ঘটেছে। মোফাক্কেরুল ইসলামকে এই ঘটনার মূল প্ররোচক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ওনার উসকানিমূলক বক্তব্যও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। সিআইডির সাহায্যে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে মোফাক্কেরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সঙ্গে আক্রামূল বাগানি নামে আরও এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার দিন আমাদের পর্যাপ্ত ব্যবস্থাপনা ছিল। তবে সেখানে অনেক মহিলা এবং বাচ্চা থাকায় আমাদের কাজে উদ্ধার কাজে একটু দেরি হয়েছে।

এদিকে, শুক্রবার বিকেলে মোথাবাড়ি থানা এলাকায় পৌঁছয় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-র প্রতিনিধি দল। ব্লক অফিসের সমস্ত সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে, বিচারকদের নিয়ে যাওয়ার রাস্তা ও কনভয়ে হামলার জায়গা পরিদর্শন করেন এনআইএ আধিকারিকরা। দীর্ঘ সময় তদন্তের পর মোথাবাড়ি থানায় যান জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। সেখানেও পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ ঘটনার দিনে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়। রাত আটটা পর্যন্ত মোথাবাড়ি থানাতেই রয়েছেন এনআইএ আধিকারিকরা।
উল্লেখ্য, গত বুধবার কালিয়াচক ২ ব্লক অফিসে এসআইআরের কাজ করতে গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের হাতে কার্যত ঘেরাও হয়ে পড়েন সাতজন বিচারক। একজন মহিলা বিচারক ব্লক অফিসে আসার পথে রাস্তাতেই ঘেরাও হয়েছিলেন। রাতে বিচারকদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়ার পথে কনভয় সহ বিচারকদের গাড়িতে হামলার অভিযোগ ওঠে। সুপ্রিম কোর্ট সিবিআই অথবা এনআইএ-কে দিয়ে এই ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেয়।
আমাদের মালদা এখন টেলিগ্রামেও। জেলার প্রতিদিনের নিউজ পড়ুন আমাদের অফিসিয়াল চ্যানেলে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন










Comments