top of page

কংগ্রেস সদস্যকে দলে টেনে প্রধানকে অপসারণ করল তৃণমূল

হরিশ্চন্দ্রপুর-২ ব্লকে বিরোধীদের দখলে থাকা একমাত্র পঞ্চায়েত ছিনিয়ে নিল তৃণমূল। অপসারিত করা হল পঞ্চায়েত প্রধানকে। শাসকদল হুমকি দিয়ে পঞ্চায়েত সদস্যকে দলে টেনেছে বলে দাবি বিরোধীদের। সবই মমতা ব্যানার্জির উন্নয়নের ফল বলে পালটা দাবি শাসকদলের।


গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে মালিওর-২ গ্রামপঞ্চায়েতের নয়টি আসনের মধ্যে তৃণমূল পেয়েছিল চারটে আসন। কংগ্রেস তিনটি ও সিপিএমের দুটি করে আসন পায়। কংগ্রেস ও সিপিএম জোট করে বোর্ড গঠন করে। প্রধান হন সিপিএমের তোরিনা খাতুন এবং উপপ্রধান হন কংগ্ৰের দিলীপ দাস। কয়েকদিন আগে দিলীপবাবু তৃণমূলে যোগ দেন। সংগরিষ্ঠতা পেয়েই প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনে তৃণমূল। আজ সেই অনাস্থার তলবি সভা ছিল।


তৃণমূলি পঞ্চায়েত সদস্য জ্যোৎস্নারা খাতুন বলেন, সিপিআইএমের প্রধান দুর্নীতি করছিল। এলাকায় কোনোরকম উন্নয়নমূলক কাজ হচ্ছিল না। তাই অনাস্থা আনা হয়েছে। তৃণমূল নেতা আশরাফুল হক বলেন, এই গ্রামপঞ্চায়েত সিপিআইএম ও কংগ্রেস জোটের দখলে ছিল। কিন্তু কোনও উন্নয়নমূলক কাজ হচ্ছিল না। ফলে সাধারণ মানুষ ক্ষিপ্ত ছিল। তাই প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনা হয়। কংগ্রেস থেকে একজন সদস্য তৃণমূলে যোগ দেয়। তৃণমূলের সদস্য সংখ্যা এই মুহূর্তে পাঁচ। তাই নিয়ম মেনে তৃণমূলের প্রধান হবে। তৃণমূলি প্রধান হলে পঞ্চায়েতের উন্নয়নমূলক কাজ দ্রুত গতিতে হবে।


সিপিআইএম নেতা গৌতম আচার্য বলেন, রাজ্য জুড়ে এই ঘটনা দেখা যাচ্ছে। শাসকদল গায়ের জোরে পঞ্চায়েত দখল করছে। প্রচণ্ড হারে দুর্নীতি হচ্ছে। মানুষ নির্বাচনে এর যোগ্য জবাব দেবে।



কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতি আব্দুস সোবহান বলেন, পঞ্চায়েত ভোটের সময় এই অঞ্চলের মানুষ জোট বেঁধে শাসকদলের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছিল। তাই এই পঞ্চায়েত সিপিআইএম ও কংগ্রেস জোটের দখলে ছিল। শাসকদল আমাদের সদস্যকে হুমকি দিয়ে জোর করে নিজেদের দলে টেনেছে। এর বিরুদ্ধে আমরা আইনি ব্যবস্থা নেব। মানুষও ভোটে এর জবাব দেবে।




আমাদের মালদা এখন টেলিগ্রামেও। জেলার প্রতিদিনের নিউজ পড়ুন আমাদের অফিসিয়াল চ্যানেলে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন

Commenti


বিজ্ঞাপন

Malda-Guinea-House.jpg

আরও পড়ুন

bottom of page