top of page

মাঝরাতে স্ট্রংরুমের সামনে মন্ত্রী, তীব্র উত্তেজনার মধ্যে পাহারায় বিরোধীরা

স্ট্রংরুমের সামনে মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিনের যাওয়াকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা মোথাবাড়িতে। ভাঙচুর চালানো হয় কালিয়াচক-২ নম্বর ব্লক তৃণমূলের সভাপতি তথা শাসকদলের জেলাপরিষদ আসনের প্রার্থী হাসিমুদ্দিন আহমেদের গাড়িতে৷ ব্যালট বাক্স লুটের আশঙ্কায় সারা রাত স্ট্রংরুমের সামনে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকে বিরোধী দলের নেতাকর্মীরা। এই ঘটনায় শাসকদলের তরফে অভিযোগ দায়ের করা হয়।


জানা গিয়েছে, স্ট্রংরুমে নজরদারি চালানোর জন্য প্রতিটি রাজনৈতিক দলের তিনজন স্ট্রংরুমের ওয়াচ রুমে থাকতে পারবেন। সেক্ষেত্রে বিডিওর অনুমতিপত্র থাকতে হবে। স্ট্রংরুমে নজরদারি চালানোর জন্য বিরোধীরা অনুমতিপত্র নিলেও শাসকদলের কেউ সেই অনুমতিপত্র নেননি। গতকাল রাতে শাসকদলের লোকজন অনুমতিপত্র ছাড়ায় স্ট্রংরুমের ওয়াচরুমে যেতে চাইলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা তাদের আটকে দেন। এই খবর পেয়ে হাসিমুদ্দিন সাহেবকে নিয়ে স্ট্রংরুমে ছুটে যান সাবিনা ইয়াসমিন। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন শাসকদলের লোকজন। এরই মধ্যে খবর চাউর হয়ে যায় শাসকদলের লোকজন জোর করে স্ট্রংরুমে যেতে চাইছে। এরপরেই বিরোধী শিবিরের নেতাকর্মীরা স্ট্রংরুমের সামনে ছুটে আসেন। অভিযোগ, হাসিমুদ্দিন আহমেদের গাড়িতে ভাঙচুর চালান বিরোধীরা। তাড়া করা হয় সাবিনা ইয়াসমিনের গাড়িকেও। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে বিশাল পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী৷



সাবিনা ইয়াসমিন জানান,

কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা বিরোধীদের হয়ে কাজ করছে৷ মোথাবাড়ি হাইস্কুলের স্ট্রংরুমের পাহারায় বিরোধীদের থাকতে দেওয়া হলেও আমাদের কাউকে সেখানে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। এমনকি আমাদের প্রার্থীকেও যেতে দেওয়া হয়নি। গতকাল রাতে আমাদের লোকজনকে ওরা মারধর করেছে৷

কালিয়াচক-২ নম্বর ব্লক কংগ্রেস সভাপতি তথা জেলাপরিষদের প্রার্থী দুলাল শেখ জানান,

আমাদের কাছে খবর আসে সাবিনা ইয়াসমিন কয়েকশো কর্মী নিয়ে ব্যালট বাক্স লুট করার চেষ্টা করছেন। সেই খবর পেয়ে হাজার হাজার কংগ্রেস কর্মী স্ট্রংরুমের স্কুলে গিয়ে শাসকদলের ব্যালট বাক্স লুটের পরিকল্পনা ভেস্তে দিয়েছে৷ ব্যালট বাক্স লুট না করতে পেরে গাড়ি ভাঙচুরের মিথ্যে অভিযোগ আনা হচ্ছে।

আমাদের মালদা এখন টেলিগ্রামেও। জেলার প্রতিদিনের নিউজ পড়ুন আমাদের অফিসিয়াল চ্যানেলে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন

বিজ্ঞাপন

Malda-Guinea-House.jpg

আরও পড়ুন

bottom of page