top of page

ন্যাশনাল অ্যাথলিটিক্সে সোনা জিতলেন মালদার তনুশ্রী

ঘর এবং বাইরের কাজ সামলে প্রাপ্তবয়স্কদের ন্যাশনাল অ্যাথলিটিক্স মিটে হেঁটে সোনা জিতলেন মালদার গৃহবধূ, ৩৮ বছরের তনুশ্রী লালা। জিতেছেন একটি ব্রোঞ্জ পদকও। তাঁর সাফল্যে খুশি মালদার ক্রীড়া মহল। ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক স্তরে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান তনুশ্রী। তবে তাঁর এই ইচ্ছেয় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে অর্থনৈতিক সংকট। নিজের স্বপ্ন পূরণের জন্য তিনি জেলা প্রশাসনের কাছে সহায়তার আর্জি জানিয়েছেন।



সম্প্রতি চেন্নাইয়ের জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়ামে ৪২তম ন্যাশনাল মাস্টার্স অ্যাথলিটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপ অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে তনুশ্রী পাঁচ কিলোমিটার হাঁটা এবং ১৫০০ মিটার দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন। হাঁটা প্রতিযোগিতায় তিনি সোনা পান। দৌড়ে মেলে ব্রোঞ্জ পদক। তিনি একটি বেসরকারি কোম্পানিতে কাজ করেন। তাঁর স্বামী সুব্রত লালাও বেসরকারি সংস্থার কর্মী। দুই ছেলে, পরিবার, পেশা বজায় রেখেই তিনি প্রতিদিন নিজের অনুশীলন চালিয়ে যান। এর আগে রাজ্য ও জাতীয় স্তরের একাধিক প্রতিযোগিতাতেও সফল হয়েছেন তিনি।


তনুশ্রী বলেন,

“গত ২৭ এপ্রিল থেকে ১ মে পর্যন্ত চেন্নাইয়ে চেন্নাইয়ের জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়ামে বয়স্কদের জাতীয় স্তরের প্রতিযোগিতা ছিল। আমি দুটি ইভেন্টে অংশগ্রহণ করতে পেরেছিলাম। পাঁচ কিলোমিটার হাঁটা প্রতিযোগিতায় আমি প্রথম হয়েছি। ১৫০০ মিটার দৌড়ে তৃতীয় হয়েছি। গত তিন বছর ধরে আমি অনুশীলন করছি। পারিবারিক সমস্যায় বেশিদিন ধরে অনুশীলন চালাতে পারেনি। ১৯ বছর বন্ধ থাকার পর তিন বছর আগে অনুশীলন শুরু করি। এখন সকালে দুই ঘণ্টা আর বিকেলে দেড় ঘণ্টা অনুশীলন করি। আগামীতে আমার লক্ষ্য, আন্তর্জাতিক স্তরের প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া। তবে আর্থিক সংকটের জন্য তাতে আমার কিছু সমস্যা রয়েছে। জেলা থেকে আমাকে সহযোগিতা করা হলে আমি নিজের ইচ্ছে পূরণ করতে পারি।”


তনুশ্রীর কোচ অসিত পাল জানান, আমার ছাত্রী যে ফল করেছে তা মালদার জন্য গর্বের। আমার যতদূর জানা রয়েছে, মাস্টার্স লেভেলে এই জেলায় তনুশ্রী লালাই জাতীয় স্তরে প্রথম সোনা জিতল। তাকে সহযোগিতার জন্য মালদা জেলা ক্রীড়া সংস্থা সহ যারা সাহায্য করেছে, তাদের সবাইকে ধন্যবাদ। তাকে আর্থিক সহায়তা করা হলে তনুশ্রী আন্তর্জাতিক স্তরেও সাফল্য পাবে।




আমাদের মালদা এখন টেলিগ্রামেও। জেলার প্রতিদিনের নিউজ পড়ুন আমাদের অফিসিয়াল চ্যানেলে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন

コメント


বিজ্ঞাপন

Malda-Guinea-House.jpg

আরও পড়ুন

bottom of page