top of page

পুজো শেষে ইংরেজবাজারে ‘করোনাসুর’ দহন

রাবণ বধ নয় করোনা আবহে শহর দেখল করোনাসুর বধের অনুষ্ঠান। পুজো শেষে দশেরায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে কালীতলা ক্লাব। দেবী দুর্গা যেমন অসুর বধ করেছিলেন, সেভাবেই মর্ত্যলোক থেকে যেন করোনাকে বধ করে পতিলয়ে ফিরে যান দেবীদুর্গা সেই প্রার্থনায় এই আয়োজন বলে জানালেন জেলার প্রাক্তনমন্ত্রী। তবে এই অনুষ্ঠানে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি বিশেষ অতিথিদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।



মালদা শহরের ডিএসএ ময়দানে দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে দশেরা উৎসবের আয়োজন করে আসছে কালীতলা ক্লাব। এই দিনটিতে মানুষের ভিড় ও জেলার অতিথিদের আগমনে আরও ঝলমলে হয়ে ওঠে দশেরা। তবে এবছর ছবিটা একদম অন্যরকম। মাত্র কয়েকফুটের করোনাসুর। হাতেগোনা কয়েকজন ক্লাব কর্তৃপক্ষ। নেই কোনো অতিথি, নেই কোনো দর্শক। দর্শকশূন্য জেলা ক্রীড়া সংস্থার ময়দানে আয়োজিত হল রাবণ রূপী করোনাসুর বধ অনুষ্ঠান।

প্রাক্তনমন্ত্রী তথা কালীতলা ক্লাবের পৃষ্ঠপোষক কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরি বলেন, “এবছর করোনার জন্য দশেরা উৎসব আয়োজন করা হয় না। এটা শুধুমাত্র একটা প্রতীকী আয়োজন। এবছর রাবণকে করোনার সঙ্গে তুলনা করে করোনাসুর বধ করা হয়েছে। এর আগে ১৯৯৮ সালে বন্যার জন্য আরও একবার দশেরা উৎসবের আয়োজন করা হয়নি। আর এবছর করোনার কারণে দশেরা উৎসব করা গেল না। এই করোনাসুর বধের মাধ্যমে আমরা ঈশ্বরের কাছে করোনামুক্ত বিশ্বের প্রার্থনা করছি।”

Malda Burnt an Effigy of 'Coronasur' on Dussehra

ইংরেজবাজার পুরসভার বিদায়ী কাউন্সিলর তথা কালীতলা ক্লাবের আরেক পৃষ্ঠপোষক প্রসেনজিৎ দাস বলেন, “প্রতিবছর কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরির উদ্যোগে এই আয়োজন করা হয়। বিজয়া দশমী মানেই মানুষের মধ্যে বিষন্নতা দেখা যায়। মানুষের মনে খানিকটা আনন্দ দেওয়ার জন্য এই দশের উৎসবের আয়োজন করা হয়েছিল। তবে এবছর করোনার প্রভাবে সব কিছুই বদলে গিয়েছে। আমরা দুর্গাপুজো নিয়েও চিন্তিত ছিলাম। যাই হোক দুর্গাপুজো করোনা আবহে ভালোভাবেই কাটল। তবে আজ দশেরা উৎসব নিজের মর্যাদায় আয়োজিত করা গেল না। বর্তমানে বিশ্বের অশুভ শক্তি করোনা। সেই করোনাকে আমরা অসুর হিসেবে বধ করছি। আমরা চাইছি এই করোনাসুর বধের মধ্য দিয়ে করোনার বিনাশ হোক।”


আমাদের মালদা এখন টেলিগ্রামেও। জেলার প্রতিদিনের নিউজ পড়ুন আমাদের অফিসিয়াল চ্যানেলে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন

Comentários


বিজ্ঞাপন

Malda-Guinea-House.jpg

আরও পড়ুন

bottom of page