top of page

মানিকচকে পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

১০০ দিনের কাজে ভুয়ো নথি ব্যবহার করে দুর্নীতির অভিযোগ পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে। তৃণমূলের কর্মীরা মানিকচকের গোপালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের দলীয় প্রধানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন। যদিও সমস্ত অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন পঞ্চায়েত প্রধান সিমা বিবি।



স্থানীয় বাসিন্দা সহ স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, পঞ্চায়েত প্রধানের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই পঞ্চায়েত সদস্যদের কোনও গুরুত্ব দেন না সিমা বিবি। ১০০ দিনের কাজে পঞ্চায়েত কর্মীদের নিয়ে দুর্নীতি চালিয়ে যাচ্ছেন পঞ্চায়েত প্রধান। খাতা কলমে কাজ চলছে তিনটি স্কিমের। কাগজ কলমে হাজার-হাজার শ্রমিক ১০০ দিনের কাজ করছেন। অথচ বাস্তবে কিছুই নেই। পঞ্চায়েত এলাকার কবরস্থান উন্নয়ন, ক্যানেল রিপিয়ারিং কাজে যুক্ত ভুয়ো হাজার হাজার শ্রমিক সংখ্যা দেখিয়ে প্রায় ৫০ লক্ষের বেশি টাকা হাতিয়েছে সিমা বিবি। সম্প্রতি এই দুর্নীতির ঘটনা স্থানীয় বাসিন্দা সহ তৃণমূল কর্মীরা জানতে পারেন। তাঁরা সমস্ত ঘটনা জানিয়ে প্রধানের বিরুদ্ধে ব্লক প্রশাসনের কাছে অভিযোগ পত্র জমা দেন। অভিযোগ পেয়েই তড়িঘড়ি তদন্ত শুরু করে ব্লক প্রশাসন।


মানিকচকের বিডিও সুরজিৎ পণ্ডিতের নির্দেশে এদিন পঞ্চায়েতে অভিযোগ খতিয়ে দেখতে যান ব্লক প্রশাসনের প্রতিনিধি দল। অভিযোগ অনুযায়ী কাজের স্থান পরিদর্শন সহ পঞ্চায়েত প্রধান ও পঞ্চায়েত কর্মীদের সাথে কথা বলেন ব্লক প্রতিনিধিরা। এপ্রসঙ্গে ব্লক টেকনিক্যাল অফিসার রজত চৌধুরী জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। ফিল্ড শ্রমিক ও মাস্টার রোলে শ্রমিকদের নামের মধ্যে অসংগতি রয়েছে। বিডিও-র কাছে সমস্ত রিপোর্ট জমা করা হবে।


স্থানীয় তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য শেখ সাইফুদ্দিন জানান, সরকারি টাকা নিয়ে দুর্নীতি করছে পঞ্চায়েত প্রধান। মাস্টার রোল হলেও বাস্তবে কোনো কাজ হচ্ছে না। ৫০ লক্ষের বেশি টাকার কাজ শুধুমাত্র খাতা কলমেই। গোটা ঘটনার তদন্ত করে দোষীদের শাস্তি দাবি তুলেছেন পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য। অভিযোগ প্রসঙ্গে সিমা বিবি জানান, সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন। শ্রমিক দিয়ে কাজ হচ্ছে। তৃণমূলের মধ্যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব সৃষ্টি করতে এই অভিযোগ তোলা হয়েছে।


تعليقات


বিজ্ঞাপন

Malda-Guinea-House.jpg

আরও পড়ুন

bottom of page