গ্রাম বাঁচাতে জঙ্গলে আশ্রয় নিয়েছেন গাজোলে শ্রমিকরা

গ্রাম বাঁচাতে জঙ্গলে আশ্রয় নিয়েছেন গাজোলে শ্রমিকরা

ভিনরাজ্য থেকে ফিরে আসা শ্রমিকদের ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলা হচ্ছে৷ তাঁদের চিহ্নিত করতে গ্রামগুলিতে লাগানো হয়েছে পোস্টার।

তবে অধিকাংশ শ্রমিকদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে বাড়িতে অতিরিক্ত ঘর না থাকায়৷ বাধ্য হয়ে তাদের থাকতে হচ্ছে গ্রাম থেকে অনেকটা দূরে প্রকৃতির ভরসায়৷ এমনই ছবি ফের ধরা পড়ল গাজোলের সালাইডাঙা এলাকার পোলাডাঙা গ্রামে৷




গ্রামের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া টাঙ্গন নদীর তীরে তাঁবু খাটিয়ে থাকার সিদ্ধান্ত নেন৷ নদীর একপাড়ে মানুষের বাস অপরপাড়ে জঙ্গল। ১০ দিন ধরে এখানেই আলাদা আলাদা থাকছেন তাঁরা৷

পোলাডাঙা গ্রামের চার শ্রমিক কয়েকদিন আগে নদিয়া জেলায় কল্যাণীতে কাজে গিয়েছিলেন৷ দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষণা হতেই তাঁদের কাজ বন্ধ হয়ে যায়৷ কোনোরকমে গাড়ি ভাড়া করে বাড়ি ফিরে আসেন তাঁরা৷ বাড়ি ফিরেই মালদা মেডিকেল কলেজে পরীক্ষা করান তাঁরা৷ মেডিকেল কলেজ থেকে তাঁদের ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলা হয়৷ কিন্তু বাড়িতে অতিরিক্ত ঘর না থাকায় সমস্যায় পড়েন তাঁরা৷ পরে তাঁরা গ্রামের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া টাঙ্গন নদীর তীরে তাঁবু খাটিয়ে থাকার সিদ্ধান্ত নেন৷ নদীর একপাড়ে মানুষের বাস অপরপাড়ে জঙ্গল। ১০ দিন ধরে এখানেই আলাদা আলাদা থাকছেন তাঁরা৷ প্রতিদিন নদী পেড়িয়ে পরিবারের লোকজন তাঁদের খাবার পৌঁছে দিচ্ছে৷ গ্রাম থেকে বিদ্যুতের তার এনে আলো জ্বালানোর ব্যবস্থাও করা হয়েছে। (#CoronaVirus)

“প্রথম দিকে রাতে শেয়াল, সাপের ভয় লাগত৷ কিন্তু এখন আর সেই সবের ভয় নেই৷ পরিবারের লোকজন এসে খাবার রেখে যায়”


[ আগের খবরঃ বাড়িতে জায়গা নেই, টাঙ্গন নদীতে নৌকায় কোয়ারেন্টাইনে বৃদ্ধ ]


নদীর তীরে কোয়ারেন্টাইনে থাকা এক শ্রমিক জানান, প্রথম দিকে রাতে শেয়াল, সাপের ভয় লাগত৷ কিন্তু এখন আর সেই সবের ভয় নেই৷ পরিবারের লোকজন এসে খাবার রেখে যায়৷ পরিবারের লোকজন ফিরে গেলে তাঁরা সেই খাবার নিয়ে এসে খান৷ খাবারের পাতা তাঁরা মাটিতে পুঁতে দেন৷ সারাদিন গল্প করেই কাটছে দিন। পঞ্চায়েত কর্মী ও টাস্কফোর্সের লোকজন এসে তাঁদের খোঁজ খবর নেন৷ আপাতত এভাবেই চলছে তাঁদের জীবনযাপন৷


মালদা জেলার খবর ও বিনোদনের লেটেস্ট ভিডিয়ো আপডেট পেতে ক্লিক করুন



হেডলাইন

প্রতিবেদন

ডিজিট্যাল যুগে বাধ সাধে নি লন্ঠন, যমজ বোনের সাফল্য উচ্চমাধ্যমিকে

বিদ‍্যুৎ পরিষেবা পেলেও আর্থিক সঙ্কট থাকায় বকেয়া বিল পরিশোধ করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। বাধ্য হয়েই তিন বছর ধরে লন্ঠনের আলোতেই পড়াশুনা চালিয়েছেন...

বিজ্ঞাপন

ফলো করুন
  • Facebook
  • Instagram
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest

সব খবর ইনবক্সে!

প্রতিদিন খবরের আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন

Aamader Malda Worldwide, the only media of your hometown and its thoughts. Here you can share and express your views and thoughts and you'll get here the essence of MALDAIYA CULT...

You can reach us via email or phone.  P +91 3512-260260  E response@aamadermalda.in

  • Facebook
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest
  • Instagram
  • RSS

Copyright © 2020 Aamader Malda. All Rights Reserved.