চেয়ারম্যানের পদত্যাগের পরেই গোষ্ঠীকোন্দল প্রকাশ্যে
- আমাদের মালদা ডিজিট্যাল

- 13 minutes ago
- 1 min read
গত লোকসভা নির্বাচনে যে সমস্ত পুরসভা এলাকায় তৃণমূলের ফল খারাপ হয়েছে, সেই সমস্ত পুরসভার চেয়ারম্যান পরিবর্তনের কথা জানিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই মতো দলের জেলা সভাপতির নির্দেশে পদত্যাগ করেছেন পুরাতন মালদা পুরসভার চেয়ারম্যান কার্তিক ঘোষ। পদত্যাগের পরেই দলের সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন প্রাক্তন পুরপ্রধান। তাঁর প্রশ্ন, অন্যান্য এলাকাতেও দলের ফল খারাপ হলেও শুধুমাত্র তাঁকে কেন পদত্যাগ করতে হল।
কার্তিক ঘোষ জানান, খবর পেয়েছি গত লোকসভা নির্বাচনে দলের ফলাফলের ভিত্তিতে আমাকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷ তবে শুধু পুরাতন মালদা পুরসভা এলাকায় নয়, গোটা জেলাতেই তৃণমূলের ফল খারাপ হয়েছে৷ মন্ত্রীরাও নিজেদের এলাকায় তেমন ফল দিতে পারেননি। ইংরেজবাজার পুরসভা এলাকাতেও ভালো ফল হয়নি।
এদিকে, শুক্রবার পুরাতন মালদা পুরসভায় বোর্ড অফ কাউন্সিলর্স মিটিংয়ে রেজুলেশন খাতা ‘ছিনতাই’ করে স্বাক্ষরিত নাম কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূলেরই কাউন্সিলর বিশ্বজিৎ হালদারের বিরুদ্ধে৷ এনিয়ে স্থানীয় মালদা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সফিকুল ইসলাম৷ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ৷
সফিকুল জানান, প্রশাসনের নির্দেশে ডাকা বিওসিতে এক পুর প্রতিনিধি সরকারি কাজে বাধা দেন৷ প্রশাসনের নির্দেশেই তাঁর বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে৷ বিযয়টি আমরা দলীয় নেতৃত্বকেও জানিয়েছি।

অভিযুক্ত কাউন্সিলর বিশ্বজিৎ হালদারের দাবি, চেয়ারম্যান পদত্যাগ করার কারণে এই বিওসির কোনও বৈধতা নেই৷ বৈধতা না থাকায় রেজুলেশন খাতায় স্বাক্ষর করার বিষয়ও নেই৷ তাই ওই খাতায় থাকা কিছু স্বাক্ষর কেটে দেওয়া হয়েছে৷ কে কোন খাতা ছিনিয়ে নিয়েছে সেটা জানা নেই।
তৃণমূলের জেলা সভাপতি আবদুর রহিম বকসি জানান, বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি৷ দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে৷
আমাদের মালদা এখন টেলিগ্রামেও। জেলার প্রতিদিনের নিউজ পড়ুন আমাদের অফিসিয়াল চ্যানেলে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন













Comments