top of page

ফড়েদের কবজায় মন্ডি, ধান বিক্রি করতে এসে মাথা ফাটল চাষির

সরকারি ধান ক্রয় কেন্দ্রে এক চাষির মাথা ফাটার ঘটনায় উত্তেজনা ছড়াল হরিশ্চন্দ্রপুরের তুলসীহাটা কিষান মন্ডিতে। ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন কৃষকরা। ঘটনাস্থলে ছুটে আসে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ ও বিধায়ক তজমূল হোসেন।


জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার তুলসীহাটা ধান ক্রয় কেন্দ্রে ধান বিক্রির জন্য ভোর থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন চাষিরা। অভিযোগ, অপরদিকে ফড়েরা ভাড়াটে মজুরদেরকে একদিন আগে থেকেই লাইনে দাঁড় করিয়ে রেখেছে। এতে ধান বিক্রি করতে বঞ্চিত হচ্ছে প্রকৃত কৃষকরা। প্রতিবাদ করতে গিয়েই ফড়েদের সঙ্গে চাষিদের বচসা শুরু হয়। বচসায় মাথা ফাটে রাড়িয়াল গ্রামের এক চাষি মোহম্মদ শাহজাহানের।


চাষিদের অভিযোগ, তুলসীহাটা সরকারি ধান ক্রয় কেন্দ্রটি পুরোপুরি ফড়েদের কবজায়। ধান বিক্রি করতে বঞ্চিত হচ্ছে প্রকৃত কৃষকরা। ফড়েদের সঙ্গে পাল্লা দিতে না পেরে ধান বিক্রি না করেই বাড়ি ফিরে আসতে হচ্ছে বহু চাষিদের। ফড়েদের সঙ্গে ধান ক্রয় কেন্দ্রের আধিকারিকের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে। টাকার বিনিময়ে একেক জন ফড়ে দিনে পাঁচ থেকে ছয়টি কার্ডে ধান বিক্রি করছে। সেখানে চাষিরা একটি কার্ডেও ধান বিক্রি করতে পারছে না।



চাষিদের আরও অভিযোগ, ফড়েরা গ্ৰামে গ্রামে ঘুরে চাষিদের আঁধার কার্ড, ভোটার কার্ড ও ব্যাংকের পাসবুক হাজার টাকার বিনিময়ে হাতিয়ে নিয়েছে এবং সেই চাষির নামে কার্ড বানিয়ে রেখেছে। সন্ধ্যা হতেই গ্রামের মহিলাদের ৫০০ টাকার বিনিময়ে ভাড়া করে ভুয়ো চাষি বানিয়ে ধান ক্রয় কেন্দ্রে লাইনে দাঁড় করিয়ে রাখে। সকাল হতেই মহিলারা আবার বাড়ি ফিরে চলে আসে। তাঁদের পরিবর্তে কার্ডধারি চাষিকে লাইনে দাঁড় করিয়ে ধান বিক্রির তারিখ নিয়ে নেয় ফড়েরা। এরপর ফড়েরা বিহার থেকে সস্তা দামে ধান ক্রয় করে এখানে সরকারি দামে ১৯৬০ টাকা কুইন্টাল দরে ধান বিক্রি করে মুনাফা অর্জন করছে।


এব্যাপারে কৃষি আধিকারিক দীপঙ্কর শিকদার কোনও মন্তব্য করতে চাননি।




আমাদের মালদা এখন টেলিগ্রামেও। জেলার প্রতিদিনের নিউজ পড়ুন আমাদের অফিসিয়াল চ্যানেলে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন

Comments


বিজ্ঞাপন

Malda-Guinea-House.jpg

আরও পড়ুন

bottom of page