top of page

বারবার মিলেছে প্রতিশ্রুতি, মেলেনি শুধু বিশুদ্ধ জল

পুরসভা ভোটের আগে সমস্ত এলাকায় শুধুই রাজ্য সরকারের উন্নয়নের জয়গান। কিন্তু দেড়শো বছরের পুরোনো ইংরেজবাজার পুরসভা এলাকায় আজও নেই আর্সেনিক মুক্ত পানীয় জলের সরবরাহ। গত ১৯ বছরে প্রায় দেড়শো কোটি টাকা খরচ হয়েছে ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার জন্য পরিশুদ্ধ আর্সেনিকমুক্ত পানীয় জল প্রকল্পে। কিন্তু এখনও বিষাক্ত জল পান করতে হচ্ছে ইংরেজবাজার পুর এলাকার বাসিন্দাদের। বিগত কিছু নির্বাচনের মতো আসন্ন ইংরেজবাজার পুরসভা নির্বাচনের ইশ্যু সেই পানীয়জল। নির্বাচন ঘোষণা হওয়ায় পানীয়জল সরবরাহ করা সম্ভব হয়নি বলে দাবি শাসকদলের নেতৃত্বদের। শাসকদল শুধু ভোটের রাজনীতি করছে বলে পালটা কটাক্ষ বিরোধীদের।



গত লোকসভা নির্বাচনের আগে (১৩ মে, ২০১৯) ইংরেজবাজার পুরসভার তৎকালীন ভাইস চেয়ারম্যান দুলাল সরকার জানিয়েছিলেন, নির্বাচনি আচরণবিধি লাগু থাকায় নতুন করে কিছু পাইপ লাইনের ব্যবস্থা করা সম্ভব হচ্ছে না। ইলেকট্রিকের কাজ বাকি থাকায় একটু দেরি হচ্ছে। তবে শহরবাসী চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই আর্সেনিক মুক্ত পানীয় জল পেতে চলেছে।


(কি বলেছিলেন দুলালবাবু শুনুন)


গত বছর (২০২১) ২৯ নভেম্বর ইংরেজবাজার পুরসভার প্রশাসক সুমালা আগরওয়ালা দাবি করেছিলেন, আগামী পুরসভা নির্বাচনের আগে আর্সেনিক মুক্ত পানীয় জল বাড়ি বাড়ি পৌঁছে যাবে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত পুরসভার সমস্ত এলাকায় পাইপলাইন বসানোর কাজই শেষ হয়নি বলে পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে।


(কি বলেছিলেন চেয়ারপার্সন শুনুন)


বিজেপি নেতা অম্লান ভাদুড়ি জানান, আর্সেনিক মুক্ত জলের প্রজেক্ট ২০০৭ সালের। কিন্তু গত ১৪ বছর ধরে তৃণমূলের পুরসভা বোর্ড সেই কাজ করতে ব্যর্থ। প্রজেক্টের টাকা কোথায় গেল তা পুরসভা বোর্ড বলতে পারবে। তৃণমূল নেতা নরেন্দ্রনাথ তিওয়াড়ি বলেন, পুরসভার যা উন্নয়ন হয়েছে তা তৃণমূলের আমলেই হয়েছে। আর্সেনিক মুক্ত পানীয় জলের কাজ ৯৯ শতাংশ শেষ। শুধু কনেকশন জোড়ার কাজ বাকি রয়েছে। ভোট ঘোষণা হওয়ায় নির্বাচনি বিধিনিষেধের গেঁরোয় কাজ বন্ধ রয়েছে। চেয়ারপার্সনও বলেছেন মাস খানেকের মধ্যে পুরসভার নাগরিকরা পানীয়জল পাবেন।


একের পর এক ভোটের ইশ্যু হয়েই থাকছে ইংরেজবাজার পুর এলাকার পানীয় জল প্রকল্প। এবারের পুরসভা নির্বাচনে সমস্ত বিরোধী দলের ইস্তেহারে প্রথম স্থান পেয়েছে ইংরেজবাজার পুরসভার পানীয় জলের সমস্যার সমাধান। পুর এলাকার দীর্ঘদিনের মানুষের দাবি, পানীয় জলের সমস্যার সমাধান কবে পূরণ হয় সেটাই এখন দেখার।




আমাদের মালদা এখন টেলিগ্রামেও। জেলার প্রতিদিনের নিউজ পড়ুন আমাদের অফিসিয়াল চ্যানেলে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন

Comentários


বিজ্ঞাপন

Malda-Guinea-House.jpg

আরও পড়ুন

bottom of page