top of page

টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনায়েতপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে

সরকারি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠল এনায়েতপুর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে। পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে জেলাশাসকের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন বিরোধী ও প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্যরা। বিরোধীদের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন পঞ্চায়েত প্রধান।



এনায়েতপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের (#EnayetpurVillage) মোট আসন সংখ্যা ১৫টি। ১০টি আসন পেয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতায় বোর্ড গঠন করে তৃণমূল। পঞ্চায়েত প্রধান হন আবু কালাম আজাদ। গত কয়েকদিন আগে প্রধান আবু কালাম আজাদ ও পঞ্চায়েত কর্মীদের বিরুদ্ধে লিখিতভাবে দুর্নীতির অভিযোগ করেন বিরোধী দলের তিন সদস্য। তবে পরে এক কংগ্রেস সদস্য নিজের অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেন বলে জানা গিয়েছে। প্রধানের বিরুদ্ধে একই অভিযোগ তুলেছেন প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্যরাও। অভিযোগ, কোনোরকম কাজ না করে ভুয়ো বিল করে প্রায় ৮০ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছে প্রধান সহ পঞ্চায়েত কর্মীরা। এমনকি তৈরি রাস্তাকে দেখিয়ে ভুয়ো তথ্য দিয়ে সাংসদ তহবিল থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা নয়ছয় করেছে অভিযুক্তরা। ১০০ দিনের প্রকল্প ও ঢালাই রাস্তা সহ বিভিন্ন প্রকল্পে দুর্নীতি হয়েছে। বিরোধী পঞ্চায়েত সদস্যরা এই অভিযোগ নিয়ে জেলাশাসকের দ্বারস্থ হয়েছেন।


এনায়েতপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন সদস্য জানান, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কাটমানি ও দুর্নীতি বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। তাসত্ত্বেও তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল প্রধান ভুয়ো বিল করে ও ভুল তথ্য দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছে। তাঁরা এই বিষয়ে অভিযোগ জানিয়েছেন। তবে এখনও পর্যন্ত তদন্ত শুরু হয়নি।


এনায়েতপুর অঞ্চল প্রধান আবু কালাম আজাদ বলেন, সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন। বিরোধী সদস্যরা পঞ্চায়েতের সুষ্ঠু পরিসেবায় ব্যাঘাত ঘটনাতে চাইছে। যারা অভিযোগ তুলেছে, তারা নিজেরাই পঞ্চায়েত থেকে টাকা দাবি করেছিল। সেই টাকা না পাওয়ায় তারা এই অভিযোগ তুলেছে।


প্রতিদিন মালদার টাটকা নিউজ হোয়াটস্ অ্যাপে পেতে ক্লিক করুন

header.all-comments


বিজ্ঞাপন

Malda-Guinea-House.jpg

আরও পড়ুন

bottom of page