top of page

কংগ্রেসকে সঙ্গে নিয়ে বোর্ড গড়ল বিক্ষুব্ধ তৃণমূল

গ্রাম পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠনে সংখ্যা গরিষ্ঠতা রয়েছে শাসকদলের। বিক্ষুব্ধ তৃণমূলিদের জেরে প্রধান ও উপ প্রধান পদে শাসকদলেরই দুই জোড়া প্রার্থী। অবশেষে কংগ্রেসের সমর্থনে প্রধান ও উপপ্রধানের আসনে বসল বিক্ষুব্ধ তৃণমূলেরই প্রার্থীরা। ঘটনার পর শাসকদলের বদলে উল্লাসে মেতেছেন কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকরা। ঘটনাটি ঘটেছে ইংরেজবাজারের নরহাট্টা গ্রাম পঞ্চায়েতে। ঘটনার জেরে অস্বস্তি বেড়েছে শাসকদলের অন্দরে।


ইংরেজবাজারের নরহাট্টা গ্রাম পঞ্চায়েত ৩০ আসন বিশিষ্ট। এই গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৫টি আসন দখল করেছে তৃণমূল। কংগ্রেস ১৩টি এবং সিপিআইএম ২টি আসনে জয়লাভ করে। সিপিআইএম সদস্যরা বোর্ড গঠনে অংশ নিলেও কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করতে এগিয়ে আসেনি। স্বাভাবিকভাবেই বোর্ড তৃণমূলের দখলে চলে যায়। শাসকদলের তরফে প্রধান ও উপপ্রধানের নাম প্রস্তাব করা হতেই শাসকদলেরই পাঁচ সদস্য বিরোধীতা করেন। ভোটাভুটিতে কংগ্রেসের সমর্থনে তৃণমূলের তনুজা বিবি ও মইনুল হক প্রধান ও উপপ্রধান নির্বাচিত হন। এরপরেই আনন্দে মেতে ওঠেন কংগ্রেস কর্মী সমর্থকরা। এদিকে, বোর্ড গঠন করেও মাথা নত করে বাড়ি ফিরতে হয় শাসকদলের জয়ী সদস্যদের।



প্রধান তনুজা বিবি ও উপপ্রধান মইনুল হক জানান, ১৫ জনের মধ্যে ৫ জন তৃণমূলের সদস্য এবং ১৩ জন কংগ্রেস সদস্য আমাদের সমর্থন করেছেন৷ এখানে তৃণমূলেরই বোর্ড হয়েছে৷ আমরাও এখনও তৃণমূলে রয়েছি৷


কংগ্রেসের প্রাক্তন বিধায়ক ভূপেন্দ্রনাথ হালদার জানান,

তৃণমূলের অনৈতিক কাজের জন্য চার জয়ী সদস্য ক্ষুব্ধ ছিল। তৃণমূলের এই চার জয়ী সদস্য সাধারণ মানুষকে স্বচ্ছভাবে পরিষেবা দিতে চান। তাই কংগ্রেসের ১৩ জন সদস্য তাঁদের প্রধান ও উপপ্রধান পদে সমর্থন করেছেন৷

জেলা তৃণমূলের সহসভাপতি শুভময় বসু জানান,

তৃণমূলকে রুখতে গোটা রাজ্যে বাম-কংগ্রেস-বিজেপি এক হয়ে গিয়েছে৷ কিছু এলাকায় আমাদের দলেও বিচ্যুতি দেখা গিয়েছে। গ্রাম্য রাজনীতিকে অনেক ফ্যাক্টর থাকে। কংগ্রেসের সঙ্গে হাত মিলিয়ে বোর্ড গঠন করার পর কেউ যদি নিজেকে তৃণমূল বলে দাবি করে, তা মানা হবে না৷ এক্ষেত্রে রাজ্য নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আমাদের মালদা এখন টেলিগ্রামেও। জেলার প্রতিদিনের নিউজ পড়ুন আমাদের অফিসিয়াল চ্যানেলে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন

Comments


বিজ্ঞাপন

Malda-Guinea-House.jpg

আরও পড়ুন

bottom of page