top of page

বাংলাকে শুষে ছিবড়ে করে দিয়েছেন মমতা: অমিত মালব্য

যে মুখ্যমন্ত্রী ছোটো বাচ্চাদের খাবারের টাকা চুরি করে রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করেন, যার এক মন্ত্রীর ঘর থেকে ৫০ কোটি টাকা উদ্ধার হয়, যে মুখ্যমন্ত্রীর নিজের ভাইপো প্রতি ১৫ দিনে সিবিআই-ইডির জেরার মুখোমুখি হন, সেই মুখ্যমন্ত্রী সব জায়গায় ভ্রষ্টাচার করতে পারেন৷ মমতা ব্যানার্জি আর তাঁর পরিবার বাংলাকে শুষে ছিবড়ে করে দিয়েছেন৷ মালদায় মহা জনজাগরণ কর্মসূচিতে এসে মন্তব্য বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা তথা আইটি সেলের ইনচার্জ অমিত মালব্যর৷



সাংবাদিক বৈঠকে অমিতবাবু বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার গত ২ বছরে বাংলাকে প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে৷ পশ্চিমবঙ্গের প্রায় ১.৮ কোটি বাড়িতে জল জীবন মিশনের সুবিধে পৌঁছেছে৷ এই সরকারের আমলে এই রাজ্যের ১৭ লক্ষ মানুষ অটল পেনশন প্রকল্পের সুবিধে পাচ্ছেন৷ পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্য পরিসেবার জন্যও প্রচুর অর্থ বরাদ্দ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার৷ কল্যাণীতে ১৭৫০ কোটি টাকায় এইমস স্থাপিত হয়েছে৷ কোচবিহার, ডায়মন্ডহারবার, পুরুলিয়া, রায়গঞ্জ, বারাসত, আরামবাগ, ঝাড়গ্রাম ও তমলুকের জন্য হাজার কোটিরও বেশি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে৷ মালদা মেডিকেলকে মাল্টি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের পরিণত করতে ১৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হলেও রাজ্য সরকার সেই অর্থ সঠিকভাবে ব্যবহার করেনি। ১০০ দিনের কাজ প্রকল্পে এই রাজ্যে অনিয়ম ও ভ্রষ্টাচারের প্রচুর অভিযোগ রয়েছে৷ কিছু উপভোক্তা আদালতে মামলা করেছেন৷ অডিট কমিটির তদন্তে এই প্রকল্পের টাকার বেআইনি লেনদেন নজরে আসে৷ সেই কারণেই কেন্দ্র এই প্রকল্পে বাংলাকে টাকা পাঠানো বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে৷ যারা এই প্রকল্পে কাজ করেছেন, তাঁদের মজুরি দেওয়ার দায়িত্ব রাজ্যের৷


অমিত মালব্য আরও বলেন,

পশ্চিমবঙ্গে মিড ডে মিলের টাকা নিয়েও দুর্নীতি হয়েছে৷ প্রায় ১০০ কোটি টাকার ওভার রিপোর্ট করে বের করা হয়েছে৷ ওই টাকা মুখ্যমন্ত্রীর রাজনৈতিক কর্মসূচিতে খরচ হচ্ছে৷ অডিটে এই বিষয়টিও সামনে এসেছে৷ যে মুখ্যমন্ত্রী ছোটো বাচ্চাদের খাবারের টাকা চুরি করে রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করেন, তিনি যে কোনও জায়গায় ভ্রষ্টাচার করতে পারেন৷ মমতা ব্যানার্জিকে মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ার থেকে না সরালে বাংলার পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে৷

আমাদের মালদা এখন টেলিগ্রামেও। জেলার প্রতিদিনের নিউজ পড়ুন আমাদের অফিসিয়াল চ্যানেলে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন

Commentaires


বিজ্ঞাপন

Malda-Guinea-House.jpg

আরও পড়ুন

bottom of page