top of page

ছয় দিন পর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার তৃণমূল নেতার

ছয়দিন ধরে নিখোঁজ থাকার পরে অবশেষে মৃতদেহ উদ্ধার হল তৃণমূল নেতার। বিহারের কাটিহারের বলরামপুর থানা এলাকার রেল লাইনের ধারের একটি গাছ থেকে ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়। শনিবার ভোরে মৃতদেহ এসে পৌঁছয় তাঁর বাড়িতে। দুপুরে মৃতদেহটিকে কবরস্থ করা হয়। এই ঘটনায় সিবিআই তদন্ত দাবি করেছেন মৃতের পরিবারের লোকজন।


উল্লেখ্য, গত রবিবার সকালে ইটভাটা যাবেন বলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হয়েছিলেন তৃণমূল নেতা আনিসুর রহমান। পরে থানায় মিসিং ডায়ারি করেন পরিবারের লোকজন। স্ত্রী সহ তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল, কিছুদিন আগে ইটভাটা সংক্রান্ত কাজে ও এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে টাকার লেনদেন নিয়ে ঝামেলা হয়েছিল আনিসুর সাহেবের। পরিবারের অনুমান হয়তো অপহরণ করা হয়েছিল আনিসুর সাহেবকে। ছয়দিন নিখোঁজ থাকার পর গতকাল বিকেলে বিহার সীমান্তবর্তী অঞ্চল থেকে আনিসুর রহমানের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়।



আনিসুর রহমানের ছোটো ভাই সাইদুর রহমান জানান, গতকাল বিকেলে সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা যায়, দাদার মৃতদেহ বিহার সীমান্তের একটি এলাকায় গাছের সঙ্গে ঝুলানো আছে। তারপরই থানায় যোগাযোগ করে আমরা জানতে পারি মৃতদেহ কাটিহার মেডিকেল কলেজে রাখা আছে। সেখানেই আমার দাদার মৃতদেহের ময়নাতদন্ত হয়। গত রবিবার থেকে আমার দাদা নিখোঁজ ছিল। দাদার মৃত্যুর পিছনে বড়োসড়ো কোনও চক্র রয়েছে। আমাদের দাবি, স্থানীয় প্রশাসন দিয়ে নয়, সিবিআই দিয়ে দাদার মৃত্যুর তদন্ত করা হোক।




স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য মকবুল হোসেন জানান, এলাকার বাসিন্দা তৃণমূল নেতা তথা ব্যবসায়ী আনিসুর রহমান গত রবিবার থেকে নিখোঁজ ছিলেন। প্রথমে নিখোঁজের অভিযোগ করলেও পরে আমরা অপহরণের অভিযোগ জানায়। গতকাল বিহার সীমান্তবর্তী এলাকায় রেললাইনের ধারে ঝুলন্ত অবস্থায় আনিসুরের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে আনিসুর রহমানকে অপহরণ করে খুন করা হয়েছে। আমরা অপরাধীর শাস্তি চাই।


হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চলছে।


আমাদের মালদা এখন টেলিগ্রামেও। জেলার প্রতিদিনের নিউজ পড়ুন আমাদের অফিসিয়াল চ্যানেলে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন

コメント


বিজ্ঞাপন

Malda-Guinea-House.jpg

আরও পড়ুন

bottom of page