top of page

ইংরেজবাজারে তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

কোনও প্রত্যন্ত গ্রাম নয়, ঘটনাটি ঘটেছে খোদ মালদা শহরে। অভিভাবকদের অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে ঘরে ঢুকে তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল এলাকার এক যুবকের নিরুদ্ধে। বিষয়টি জানতে পেরে ওই যুবকের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ জানানোর সিদ্ধান্ত নেন ওই কিশোরীর মা। কিন্তু সেকথা জেনে ফেলে অভিযুক্ত যুবক। থানায় যাওয়ার আগেই দলবল নিতে সে হামলা চালায় ওই কিশোরীর বাড়িতে। বাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি তারা ওই কিশোরী সহ তার মা ও দাদাকে মারধরও করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় পুলিশ। যদিও পুলিশ এখনও পর্যন্ত অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে পারেনি।


নির্যাতিতা কিশোরীর বয়স মাত্র ৯। স্থানীয় একটি প্রাথমিক স্কুলে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে সে। বাবা পেশায় ছোটো গাড়ির চালক। মা গৃহ পরিচারিকার কাজ করেন। তার এক দাদাও রয়েছে। সে সপ্তম শ্রেণির ছাত্র। বর্তমানে কিশোরীর বাবা কর্মসূত্রে কলকাতায় রয়েছেন। দুই ছেলেমেয়েকে নিয়ে মা একাই থাকেন।



মায়ের অভিযোগ, তিনি সকালে লোকের বাড়িতে কাজ করতে যান। দুপুরে বাড়ি ফেরেন। সন্ধেয় ফের কাজে যান, ফিরতে রাত হয়ে যায়। এই অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তাঁদেরই এক প্রতিবেশী যুবক ঘরে ঢুকে তাঁর মেয়েকে ধর্ষণ করে। পরে সে তাঁর মেয়েকে নিজেদের বাড়িতেও নিয়ে যায়। সেখানেও তাঁর মেয়ের উপর অত্যাচার চালায়। গতকাল রাতে কাজ সেরে বাড়ি ফিরলে তিনি মেয়েকে খানিকটা অসংলগ্ন দেখেন। তাঁর মনে সন্দেহ হয়। মেয়েকে জিজ্ঞাসা করলে সে সব কথা খুলে বলে। তিনি বিষয়টি পাড়ার লোকজনকে জানান। সকলের পরামর্শে এদিন সকালে তিনি অভিযোগ জানাতে স্থানীয় ইংরেজবাজার থানায় যান। সেখানেই তিনি খবর পান, পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাতে আসার অপরাধে সেই প্রতিবেশির এক ভাগ্নে তাঁদের বাড়িতে ভাঙচুর চালাচ্ছে। সেই খবর পেয়ে তিনি বাড়িতে ছুটে আসলে তারা তাঁকে মারধর করে, বাধা দিতে এলে তারা তাঁর ছেলেমেয়েকেও বেধড়ক মারধর করে।

এলাকার বাসিন্দা এক যুবতি মধুমিতা পালও এদিন ওই কিশোরীর বাড়ি ভাঙচুর করতে দেখেন। তিনি জানান, তাঁর চোখের সামনেই সেই বাড়ি ভাঙচুর করেছে। দুজনেই খুব খারাপ চরিত্রের। এদিনের ঘটনার পর থেকে ওই মামা-ভাগ্নেকে নিয়ে তাঁরাও আতঙ্কে রয়েছেন। এই কাজের জন্য তাঁরাও অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তি দাবি করছেন।

এদিকে ঘটনাটি জানতে পেরেই ঘটনাস্থলে ছুটে যায় ইংরেজবাজার থানার পুলিশ। পুলিশের কাছে নিজের অভিযোগ দায়ের করেন নির্যাতিতা কিশোরীর মা। যদিও পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে পারেনি।


আমাদের মালদা এখন টেলিগ্রামেও। জেলার প্রতিদিনের নিউজ পড়ুন আমাদের অফিসিয়াল চ্যানেলে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন

Opmerkingen


বিজ্ঞাপন

Malda-Guinea-House.jpg

আরও পড়ুন

bottom of page