top of page

প্রশাসনিক কর্তা হওয়া লক্ষ্য মালদার দুই কৃতির

চিকিৎসক, ইঞ্জিনিয়ার কিংবা অধ্যাপক নয়, ভবিষ্যতে প্রশাসনিক কর্তা হওয়াই স্বপ্ন, মালদার সেরা দুই উচ্চমাধ্যমিক কৃতির। তাঁদের এই ইচ্ছেকে সম্মান জানাচ্ছেন স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা।


উচ্চমাধ্যমিকের মেধা তালিকায় থাকা ২৭২ জনের মধ্যে মালদা জেলার সাত পরীক্ষার্থী রয়েছে। ৪৯৩ নম্বর পেয়ে মালদা জেলার শীর্ষস্থানে রয়েছে ইংরেজবাজারের বিনোদপুর গ্রামপঞ্চায়েতের নঘরিয়া হাইস্কুলের দেবাদিত্য গোস্বামী। রাজ্যে যৌথভাবে ষষ্ঠ স্থান অধিকার করেছে দেবাদিত্য। জেলার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মালদা শহরের বার্লো গার্লস হাইস্কুলের নীলাঞ্জনা সিনহা। ৪৯২ নম্বর পেয়ে রাজ্যে সপ্তম হয়েছে সে। ৪৯১ নম্বর পেয়ে রাজ্যে অষ্টম ও জেলার তৃতীয় স্থানে রয়েছে গাজোলের হাজি নাকু হাইস্কুলের ছাত্র প্রিয়াংশু রায়। ৪৯০ নম্বর পেয়ে রাজ্যের যৌথভাবে নবম স্থানে রয়েছে জেলার চার পরীক্ষার্থী। তারা হল অক্রূরমণি করোনেশন ইন্সটিটিউশনের দেবদীপ চক্রবর্তী, রামকৃষ্ণ মিশন বিবেকানন্দ বিদ্যামন্দিরের সপ্তর্ষি ঘোষ, গাজোলের হাজি নাকু হাইস্কুলের শুভম কুণ্ডু এবং হরিশ্চন্দ্রপুরের ভালুকা আরএমএমএম বিদ্যাপীঠের টিনা থোকদার।



দেবাদিত্যের বাবা গৌতম গোস্বামী একজন আম ব্যবসায়ী। মা রুবি গোস্বামী গৃহবধূ। দেবাদিত্য জানান, ৪৮৫ থেকে ৪৮৮ নম্বর আশা করেছিল সে। কিন্তু ৪৯৩ নম্বর পেয়ে রাজ্যে ষষ্ঠ স্থান মিলবে এই আশা ছিল না। দিনে মাত্র ৫-৬ ঘণ্টা পড়াশোনা করত সে। অবসর সময়ে ফুটবল খেলতে, খেলা দেখতে খুব ভালো লাগে দেবাদিত্যর। ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো তার স্বপ্নের ফুটবলার। ভবিষ্যতে সে সিভিল সার্ভিস অফিসার হতে চান দেবাদিত্য।


অন্যদিকে, একই ইচ্ছে রাজ্যে সপ্তম স্থান অধিকারী নীলাঞ্জনা সিনহার। তিনি জানান, পরীক্ষার পর ভালো ফলের আশা থাকলেও এত ভালো ফল আশা করেননি। পড়াশোনার পাশাপাশি অবসর সময়ে গল্পের বই পড়া শখ তাঁর। ভবিষ্যতে ডব্লিউবিসিএস অফিসার হতে চান তিনি।




আমাদের মালদা এখন টেলিগ্রামেও। জেলার প্রতিদিনের নিউজ পড়ুন আমাদের অফিসিয়াল চ্যানেলে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন

বিজ্ঞাপন

Malda-Guinea-House.jpg

আরও পড়ুন

bottom of page