top of page

প্রশাসনের ভূমিকায় সন্তুষ্ট নন জাতীয় তফশিলি কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান

মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ুকে ঠাণ্ডা করা হয়েছে। এবার বাংলায় কাজ শুরু হয়েছে। কমিশন কীভাবে একাজ করতে পারে তা বাংলার মানুষ দেখবে। যে সমস্ত আধিকারিকরা নিজেদের আইনের ঊর্ধ্বে মনে করছেন তাঁদের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে তা এই ঘটনা থেকে প্রমাণ হয়ে যাবে। গাজোলে খুনের ঘটনায় পরিবারের সঙ্গে দেখা করে এমনই মন্তব্য করলেন জাতীয় তফশিলি কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান অরুণ হালদার৷


উল্লেখ্য, ২৬ অক্টোবর রাতে কুপিয়ে খুন করা হয়েছিল গাজোল ব্লকের খোসলাবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা ধনঞ্জয় সরকারকে৷ এই ঘটনায় নাম জড়ায় ওই পঞ্চায়েতের প্রধান সুবোধ সরকার সহ আরও কয়েকজনের৷ অভিযুক্তদের মধ্যে আছেন তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি ইমাদুর রহমানও৷ এই ঘটনায় বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে গাজোল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ধনঞ্জয়বাবুর স্ত্রী লতিকা সরকার৷ কিন্তু এখনও পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করেনি৷ আজ ওই পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন জাতীয় তফশিলি কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান অরুণ হালদার৷ সঙ্গে ছিলেন গাজোলের বিধায়ক চিন্ময় দেব বর্মন, ডিএসপি আজহারউদ্দীন খান ও গাজোল থানার আইসি রণবীরকুমার বাগ৷



সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে অরুণবাবু জানান, পরিবারের সঙ্গে কথা বলে বোঝা গেল, এখানকার পঞ্চায়েত প্রধানের দুর্নীতি ধরে ফেলায় ধনঞ্জয় সরকারকে খুন করা হয়েছে৷ ধনঞ্জয়বাবু তফশিলি জাতিভুক্ত৷ এই জাতিভুক্ত মানুষকে রক্ষা করতে খোদ রাষ্ট্রপতি এই কমিশন গঠন করেছেন৷ এই ঘটনা নিয়ে তিনি প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলবেন৷ প্রিভেনশন অফ অ্যাট্রোসিটি আইনে এই ঘটনার তদন্ত হবে৷ প্রশাসন তৎপর হলে এসব খুনের ঘটনার কিনারা করতে সময় লাগে না৷ কিন্তু এই ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা খুব একটা ভালো নয়৷ এই ঘটনায় তাঁরা সুয়োমোটো মামলা করতে চলেছেন৷




আমাদের মালদা এখন টেলিগ্রামেও। জেলার প্রতিদিনের নিউজ পড়ুন আমাদের অফিসিয়াল চ্যানেলে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন

বিজ্ঞাপন

Malda-Guinea-House.jpg

আরও পড়ুন

bottom of page