top of page

পাকুয়াহাট কাণ্ডে পুলিশ ও প্রশাসনের ভূমিকায় খুশি নয় জাতীয় কমিশন

পাকুয়াহাটে প্রকাশ্যে দুই মহিলাকে নির্যাতনের ঘটনায় পুলিশ ও প্রশাসনের ওপর ক্ষোভ উগড়ে দিলেন জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন। এমনকি এই ইশ্যুতে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত যাওয়ার হুঁশিয়ারিও শোনা গিয়েছে চেয়ারপার্সন রেখা শর্মার গলায়।



উল্লেখ্য, গত ১৮ জুলাই বামনগোলা থানার অন্তর্গত পাকুয়াহাট এলাকায় চোর সন্দেহে দুই মহিলাকে বিবস্ত্র করে মারধরের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, ঘটনার দিন পুলিশ বিবস্ত্র অবস্থাতেই ২ ঘণ্টা ফাঁড়িতে বসিয়ে রাখে। দুই মহিলার কোনোরকম চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়নি। উলটে ফাঁড়ি ভাঙচুরের অভিযোগে দুই মহিলাকে জেলে পাঠানো হয়। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সরব হয় বিজেপি। অবশেষে বামনগোলা থানার আইসি সহ চার পুলিশকর্মীকে ক্লোজ করেন পুলিশ সুপার প্রদীপকুমার যাদব।


নির্যাতিতা দুই মহিলার সঙ্গে কথা বলতে আজ জেলায় আসেন জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন রেখা শর্মা৷ দুপুরে তাঁরা নির্যাতিতাদের সঙ্গে দেখা করেন। তাঁদের পিছু পিছু সেখানে পৌঁছে যায় রাজ্য মহিলা কমিশনও। এনিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন রেখা শর্মী। পরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন তিনি।


রেখা শর্মা বলেন,

দুর্ভাগ্যের বিষয়, বিবস্ত্র অবস্থায় উদ্ধার করার পরেও পুলিশ দুই মহিলাকে সাহায্য করার বদলে গ্রেফতার করে৷ নির্যাতিতা দুই মহিলা পুলিশ কিংবা প্রশাসনের কোনও সহায়তা পাননি। যাদের বিবস্ত্র করে মারধর করা হল, তাঁদের কোন অপরাধে ৬ দিন সংশোধনাগারে কাটাতে হল, তা পুলিশের থেকে জানতে চাইব। পুলিশ সুপার একটি রিপোর্ট পাঠিয়েছেন। সেই রিপোর্ট নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। এই ঘটনা নিয়ে রাজ্য সরকারের কাছেও আমার প্রশ্ন রয়েছে। প্রয়োজনে সুপ্রিমকোর্টে এনিয়ে মামলা করা হবে। গতকাল থেকে রাজ্য মহিলা কমিশনের লোকজন আমার পিছু পিছু ঘুরছে। এদের আগে আসা উচিৎ ছিল। মনে হচ্ছে এদের রাস্তা দেখানোর কাজ করছি।


রাজ্য মহিলা কমিশন যখন নির্যাতিতাদের সঙ্গে আগেই দেখা করেছেন, রিপোর্ট দিয়ে দিয়েছেন, তবে জাতীয় মহিলা কমিশনের পিছু পিছু ফের কেন আসা? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্ন থতমত খেয়ে যান রাজ্য মহিলা কমিশনের প্রতিনিধিরা। কোনোমতে সাংবাদিকদের এড়িয়ে তাঁদের জবাব, জাতীয় মহিলা কমিশন রাজ্যের কয়েকটি জায়গা পরিদর্শন করছে৷ তাই আমরা রাজ্য মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশে এখানে এসেছি৷ জাতীয় কমিশনের কোনও প্রশ্ন থাকলে সেই প্রশ্নের উত্তর রাজ্য মহিলা কমিশনকে দিতে হবে। সেই কারণেই আমাদের আসা।


আমাদের মালদা এখন টেলিগ্রামেও। জেলার প্রতিদিনের নিউজ পড়ুন আমাদের অফিসিয়াল চ্যানেলে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন

Comentários


বিজ্ঞাপন

Malda-Guinea-House.jpg

আরও পড়ুন

bottom of page