top of page

মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে রহস্য, স্বামীর অস্বীকারের পর দেহ শনাক্ত মা-বোনের

হরিশ্চন্দ্রপুরে নিহত গৃহবধূর মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক রহস্য। দেহ শনাক্ত করতে এসে স্ত্রীর দেহ নয় বলে স্বামী দাবি করেছিলেন। তার কয়েক ঘণ্টা পরই দেহ দেখে মেয়ের দেহ বলে দাবি করলেন ওই ব্যক্তির শাশুড়ি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মর্গের সামনে ব্যাপক চাঞ্চল্য।


উল্লেখ্য, গতকাল হরিশ্চন্দ্রপুরে কুশিদা এলাকার একটি ধান খেতের পাশ থেকে একটি মৃতদেহ উদ্ধার হয়। মৃতদেহ পাশ থেকে পুলিশ একটি ছুরি, এক জোড়া গ্লাভস, কিছু কনডোম ও অ্যাসিডের বোতল বাজেয়াপ্ত করে। স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করেছিলেন, ওই প্রায় ২৫-৩০ বছর বয়সী গৃহবধূকে গণধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। পরে অ্যাসিড দিয়ে তার মুখ পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আজ দুপুরে চাঁচলের নিখোঁজ এক গৃহবধূর শ্বশুরবাড়ির লোকেদের মৃতদেহ শনাক্ত করতে ডাকা হয়। ওই দেহ স্ত্রীর নয় বলে সাফ জানান নিখোঁজ গৃহবধূর স্বামী। বিকেলে ওই নিখোজ গৃহবধূর মা ও বোন মেডিকেল আসেন মৃতদেহ শনাক্ত করতে। তাঁরা দাবি করেছেন ওই দেহ তাঁদের পরিবারের নিখোঁজ সদস্যের।


এদিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, নিখোঁজ ওই গৃহবধূর স্বামী বিশেষভাবে সক্ষম। তাঁদের কোনো ছেলেমেয়ে নেই। ওই গৃহবধূর নাকি বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কও ছিল। এনিয়ে পরিবারে প্রায়শই অশান্তি লেগে থাকত। গ্রামে বিষয়টি নিয়ে সালিশি সভাও বসেছিল।


প্রতীকী ছবি।

গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক রহস্য দেখা দিয়েছে। মৃতদেহটির আজ ময়নাতদন্ত হচ্ছে না বলেই পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। মৃতদেহের শনাক্ত করতে পুলিশ ডিএনএ টেস্টের পথে হাঁটতে চলেছে কিনা তা এখনও জানা যায়নি। তবে পুলিশি আগামী পদক্ষেপ নিয়ে রীতিমতো কৌতুহল রয়েছে আম আদমির মনে।


আমাদের মালদা এখন টেলিগ্রামেও। জেলার প্রতিদিনের নিউজ পড়ুন আমাদের অফিসিয়াল চ্যানেলে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন

বিজ্ঞাপন

Malda-Guinea-House.jpg

আরও পড়ুন

bottom of page