top of page

পঞ্চায়েত হিংসায় মাথায় গুলি একরত্তি শিশুর

পঞ্চায়েত বোর্ড গঠনকে কেন্দ্র করে শহরে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার পারদ চড়ে বসেছে। এমন অবস্থায় রেহাই পাচ্ছে না শিশুরাও। গত সোমবার বোমের আঘাতে আহত হন এক শিশু। এদিন আবার রাজনৈতিক হিংসার শিকার আরেক শিশু। মাথায় গুলির আঘাত নিয়ে বর্তমানে মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। গোটা ঘটনার তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়েছে মানিকচক এলাকায়।


উল্লেখ্য, গত সোমবার পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠনকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়েছিল মানিকচক। প্রাণের বলি দিতে হয়েছিল দুই সাধারণ নাগরিককে। এই রাজনৈতিক হিংসার মাসুল দিতে হয়েছিল এক শিশুকেও। এদিন আবার হিংসার মাসুল গুণতে হচ্ছে অপর এক শিশুকে।

মালদা মানিকচক গ্রাম পঞ্চায়েতে ১৮টি আসনের মধ্যে ১০টি আসনে জিতেছে বিজেপি। ৬টি আসন দখল করেছে তৃণমূল। একটি করে ভাগে পেয়েছে কংগ্রেস ও নির্দল। মানিকচক গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন বিজেপির বিভূতি মণ্ডল। এই পঞ্চায়েতে বিজেপি অনেকটাই এগিয়ে। তাই প্রধান পদে ভোটাভুটিতে গেরুয়া শিবিরের প্রার্থীর জয় নিশ্চিত ছিল। কিন্তু বাস্তবে তেমন হয়নি বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, মানিকচক গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান পদে বিজেপির প্রার্থী বিভূতি মণ্ডল পান ৯টি ভোট। অর্থাৎ বিজেপির এক পঞ্চায়েত সদস্য তাঁকে ভোট দেননি। অথচ মাত্র ৬টি আসনে জিতেও শাসকদলের দলের প্রধান পদপ্রার্থীও ৯টি ভোট পান। শেষপর্যন্ত অবশ্য টসে জিতে মানিকচক পঞ্চায়েতের প্রধান হন বিজেপি সদস্য বিভূতি মণ্ডলই।

জানা গিয়েছে, শুধু কংগ্রেস ও নির্দল সদস্যই নন, তৃণমূল প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন বিজেপি সদস্য পুতুল মণ্ডলও। বুধবার দুপুরে মানিকচকে রামনগর গ্রামে তাঁর বাড়িতে হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। চলে গুলি ও বোমা। ঘটনার সময়ে ঘরে ঘুমোচ্ছিল পুতুল মণ্ডলের তিন বছরের শিশুপুত্র মৃণাল। ঘুমন্ত অবস্থায়ই তার মাথায় গুলি লাগে। তড়িঘড়ি গুলিবিদ্ধ শিশুটিকে মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভরতি করা হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তার চিকিৎসা চলছে।

পঞ্চায়েতে প্রধান পদে তৃণমূল প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার দলেরই সদস্য পুতুল মণ্ডলের বাড়িতে বিজেপির কর্মী-সমর্থকরাই হামলা চালিয়েছেন বলে অভিযোগ। যদিও গোটা ঘটনায় মুখে কুলুপ এঁটেছে মানিকচকের বিজেপি নেতৃত্ব।


আমাদের মালদা এখন টেলিগ্রামেও। জেলার প্রতিদিনের নিউজ পড়ুন আমাদের অফিসিয়াল চ্যানেলে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন

ছবিঃ কৃতাঙ্ক

Comments


বিজ্ঞাপন

Malda-Guinea-House.jpg

আরও পড়ুন

bottom of page