top of page

অবলুপ্ত পাখিদের খোঁজে মালদার শিবাজি সংঘ

কথায় আছে বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে। আমরা প্রতিমুহূর্তে যুগের সাথে তাল মিলিয়ে নিজেদের আরও বেশি আধুনিক করে চলেছি। নিজেদের প্রযুক্তিগত উন্নয়নের যাত্রায় প্রতি মুহূর্তে বলি হচ্ছে কত গাছ-গাছালি। ফলে বসতবাড়ি ছাড়া হচ্ছে কত পাখি। এছাড়াও মোবাইল টাওয়ারের রেডিয়েশনে মারা যাচ্ছে পাখিরা। দোয়েল, শ্যামা, শালিক, ফিঙে, চাতক, চড়ুই, বাবুই–এর দেখা না পাওয়ারই সমান। বাবুই পাখির বাসা, চাতকের বর্ষার জলের অপেক্ষা, শালিকের ঝগড়া, চড়ুইয়ের কিচির মিচির; এখন সব পাওয়া যায় বইয়ের পাতায়। এই সব পাখিদের আবার বাঁচিয়ে তুলতে মালদার শিবাজি সংঘের এবছরের পুজোর থিম অবলুপ্ত পাখি।


যে পাখিদের আর দেখতে পাওয়া যায় না, সেই পাখীরা ফিরে আসবে এই মণ্ডপসজ্জার মাধ্যমে। দূষণ এড়াতে সিনথেটিক ফোম দিয়ে তৈরি হচ্ছে মণ্ডপ। মণ্ডপটি দেখে মনে হতে পারে যেন আস্ত শিউলি ফুলের কোলে আমরা দাঁড়িয়ে রয়েছি। আর এই শিউলি ফুলের কোলেই অবস্থান করেছে অবলুপ্ত পাখিরা। বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের ছাত্র বিশ্বজিত মাঝির হাতের নিপুণতায় রূপ পাচ্ছে মণ্ডপ। এবার প্রতিমার দায়িত্বেও রয়েছেন বিশ্বজিত মাঝি। থিমের সাথেই সাযুজ্য রেখে তৈরি হচ্ছে প্রতিমা। সাথে থাকছে চন্দননগরের নজরকাড়া আলোকসজ্জা।


এবছর ৪৬ বছরে পা দিল এই ক্লাবের পুজো। প্রতিবার থিমের টেক্কায় প্রথম সারিতে থাকে এই ক্লাব। থিমের জাদু দেখার জন্য ক্লাবে ভিড় জমায় অগণিত দর্শক। এবছর সম্পূর্ণ থিমটিকে রূপ দিতে ক্লাবের খরচ পড়বে আনুমানিক পাঁচ লক্ষ টাকা।



পাখিরা প্রকৃতির সম্পদ। এই পাখিদের বাঁচিয়ে রাখতে এই থিম বেছে নিয়েছেন ক্লাবের সদস্যেরা। ক্লাবের পুজো কমিটির সেক্রেটারি সুদীপ্ত দে জানিয়েছেন, বর্তমানে পাখিরা যেভাবে হারিয়ে যাচ্ছে তার ফলে ভবিষ্যতে পাখিদের অস্তিত্ব হারিয়ে যাবে। পাখিদের এই অস্তিত্বকে বাঁচিয়ে রাখতেই এই থিম বেছে নিয়েছেন তারা।




আমাদের মালদা এখন টেলিগ্রামেও। জেলার প্রতিদিনের নিউজ পড়ুন আমাদের অফিসিয়াল চ্যানেলে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন

বিজ্ঞাপন

Malda-Guinea-House.jpg

আরও পড়ুন

bottom of page