top of page

শান্তিভারতীর পুজোয় বারো মাসে তেরো পার্বণ

বারো মাসে তেরো পার্বণ বাংলা মধুর বোলে, আছে শুধু এই ধারাতে বাংলা মায়ের কোলে। বাঙালী উৎসব প্রিয় জাতি। দুঃখ-সুখ, হার-জিতের যুদ্ধে আনন্দকে শক্তি করে তুলতেই সারাটা বছর ধরে পালিত হয় নানা পার্বণ। বৈশাখে নববর্ষের হালখাতা ও মিষ্টিমুখ দিয়ে শুরু, জ্যৈষ্ঠে জামাইষষ্ঠী, আষাঢ় মাসে রথের দড়িতে পড়ে টান, শ্রাবণে মা মনসার ভাসান। ভাদ্র মাসে জন্মাষ্টমী ও বিশ্বকর্মা পুজোর ধুম পড়ে, আশ্বিনে মা উমা রূপে আসেন ঘরে ঘরে। কার্তিক মাসে কালীপুজো, মাঠে পাকে ধান, অগ্রহায়ণে নবান্নে মেতে ওঠে প্রাণ। পৌষে পৌষপার্বণ, সংক্রান্তি ও পিঠেপুলির মেলা, মাঘ মাসে বাগদেবীর আরাধনা। ফাল্গুনে দোল উৎসব, চৈত্রে চড়ক, বুড়ো শিবের গাজন - বাঙ্গালিয়ানার এই স্বাদকে ফুটিয়ে তুলতে এবছর শান্তিভারতী ক্লাবের থিম বারো মাসে তেরো পার্বণ।


মূল ফটকে রয়েছে তেরোটি ঘট। এই তেরোটি পার্বণের প্রতীক। সারা মাস ধরে পালিত নানান উৎসবকে কুলোর মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হবে মণ্ডপসজ্জায়। প্রতিমাশিল্পী অষ্টম চৌধুরির হাতের নিপুণতায় রূপ পাবে ক্লাবের প্রতিমা। থিমের সাথে সাযুজ্য রেখেই তৈরি হচ্ছে এই ক্লাবের দেবী প্রতিমা। সাথে থাকছে নজরকাড়া আলোকসজ্জা।


এবছর ৬৫-তে পা দিল এই ক্লাবের পুজো। এবছর এই ক্লাবের পুজোর বাজেট আনুমানিক ১৫ থেকে ১৭ লক্ষ টাকা। কুলোর মধ্যে চিত্রায়নের মাধ্যমেই ফুটিয়ে তোলা হবে এই ক্লাবের থিম। ক্লাবের সদস্যরা মূলত হাত লাগিয়েছেন মণ্ডপসজ্জায়।



গত দুই বছর করোনা মহামারীর দাপট ক্লাবগুলি সেইভাবে থিমের যুদ্ধে নিজেদের সৃজনশীলতা ফুটিয়ে তুলতে পারেনি। তবে এবার কোনো ক্লাব থিমের লড়াইয়ে একচুল মাটি ছাড়তে রাজি নয়। প্রতিবারই নতুন কিছু থিমের জাদুতে দর্শকদের মোহিত করে এই ক্লাব। এবছর গোটা মণ্ডপ জুড়ে বাঙ্গালিয়ানার গন্ধ পাবে দর্শকেরা, এমনটাই আশা করছেন ক্লাবের পুজো কমিটির সেক্রেটারি উদ্দীপ্ন রায়।




আমাদের মালদা এখন টেলিগ্রামেও। জেলার প্রতিদিনের নিউজ পড়ুন আমাদের অফিসিয়াল চ্যানেলে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন

বিজ্ঞাপন

Malda-Guinea-House.jpg

আরও পড়ুন

bottom of page