top of page

কোশি নদীর দাপটে আতঙ্কিত রতুয়া

গঙ্গা বা মহানন্দা নয়। এবার কোশি নদীর দাপটে আতঙ্কিত রতুয়া-১ ব্লকের দুটি গ্রামপঞ্চায়েতের মানুষ। কোশির ভাঙনে রাতের ঘুম উড়েছে প্রায় ৭-৮টি গ্রামের মানুষের। পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণে মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণের দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিডিও।


মানিকচকের ভূতনি ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় গঙ্গা থেকে বেরিয়ে কোশি নদী রতুয়া-১ ব্লকের জঞ্জালিটোলার কাছে ফুলহরে মিশেছে। এলাকায় কোশি নদী মরা নদী হিসেবেই পরিচিত। কিন্তু এই মরা নদীর তাণ্ডবে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, গত কয়েকদিনে যে গতিতে পার কাটতে শুরু করেছে কোশি তাতে বেশ কয়েকটি গ্রামের অস্তিত্ব থাকা নিয়েই প্রশ্ন হয়ে উঠেছে। গত কয়েকদিনে বিলাইমারি ও মহানন্দাটোলা পঞ্চায়েত এলাকা বেশ কিছু জমি ইতিমধ্যে নদীগর্ভে চলে গিয়েছে। প্রায় ৪ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ২৫০-৩০০ মিটার এলাকা জলে তলিয়ে গিয়েছে। কোশির জল মিশছে ফুলহরে। ফুলহর নদীও যদি বিপজ্জনক হয়ে ওঠে তবে গঙ্গা-ফুলহর-কোশির ত্রিমুখী ভাঙনে পুরো এলাকা তলিয়ে যেতে পারে।



স্থানীয় বাসিন্দা আজমল হক জানান,

এলাকার ৭-৮টি গ্রাম কোশির ভাঙনে বিপন্ন। যেভাবে ভাঙন চলছে তাতে কিছুদিনের মধ্যেই গ্রামগুলি তলিয়ে যাবে। কোশিকে কখনও এত ভয়ানক রূপে আগে দেখা যায়নি। গত ২-৩ দিনে অনেক বাড়ি কোশিতে তলিয়ে গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন, এই এলাকার মানুষদের বাঁচাতে তিনি কোনও পদক্ষেপ নিক।

রতুয়া-১ ব্লকের বিডিও রাকেশ টোপ্পো জানান, গত কয়েকদিনে কোশি নদীর চরে ভাঙন দেখা দিয়েছে। বিষয়টির দিকে নজর রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে।




আমাদের মালদা এখন টেলিগ্রামেও। জেলার প্রতিদিনের নিউজ পড়ুন আমাদের অফিসিয়াল চ্যানেলে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন

বিজ্ঞাপন

Malda-Guinea-House.jpg

আরও পড়ুন

bottom of page